এনসিপি বোধায় এখনও মনে করে তারা আন্দোলোন করে হাসিনার পতন ঘটিয়েছে। আর ইউনূস সাহেব যে মাঝে মাঝে তাদের খুশি করার জন্য বলেন এই ছাত্ররাই আমাদের নিয়োগকর্তা। এই অবুঝ ছাত্ররা সেটি বিশ্বাসও করে নেয়। তারা বুঝতেও পারেনি যে, তাদের প্রথম থেকেই ব্যবহার করে আসছেন তিনি। তিনিই ম্যটিক্যুলাস ডিজাইন করে এই আন্দোলোন এবং হাসিনার পতন ঘটিয়েছেন ডিপস্ট্রেটের কথায়।আর সেই আন্দোলোনে কি কি হয়েছে তা যেমন জানেন ইউনূস তেমন জানে ছাত্ররাও। তাই জুলাই আন্দোলোনে মৃতদের কেউ কেউ হঠাৎ করেই জীবিত হয়ে ওঠে। এতদিন ছাত্রদের চাঁদাবাজি ক্যামেরা বন্দি হলেও কোন সাজা পেতে হয়নি।এবং কোন তদন্তের মুখোমুখি হতে হয়নি। ইউনূসের বিরুদ্ধে গেলে যে তাদের আর ক্ষমা করবেন না তিনি তা দিনে দিনে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। আর ছাত্রদের দৌরাত্যে শুধু ইউনূসই অস্বস্তিতে পড়েছেন এমন নয়, ইউনূসের বিদেশী বসেরাও আর এই ছাত্রদের সহিংস্রতা লুঠ পাঠ চাঁদাবাজি সহ্য করছে না। তাই এই ছাত্রদের থেকে কিছু ভালো মুখকে বিএনপি বা জামাতে নিয়ে গিয়ে তাদের ভোটে জিতিয়ে জুলাই আন্দোলোনটিকে বাঁচিয়ে রাখতে চাইছেন। এই ছাত্ররা বুঝতেই পারছে না যে তাদের পায়ের মাটি সরে গিয়েছে। আর তাদের এটি বোঝা উচিৎ তখনই, যখন তাদের সারা দেশব্যাপী কর্মসূচিতে জনগন অংশ গ্রহণ করেনি। আর তারা এনসিপির হয়ে নির্বাচনে গেলে একটি আসনও যে জিততে পারবে, এই গ্যারেন্টি তারা নিজেরাও দিতে পারেবে না। ইউনূস এখন বুঝেছেন যে জামাত আর বিএনপি তার সঙ্গে থাকলে এনসিপির এই উগ্রতা চাঁদাবাজির দায় আর তাকে নিতে হবে না। তাকেও মাঝে মাঝে হুমকি এমনকি লন্ডনে গিয়ে বিএনপির কাছে দেশ বিক্রির দালাল এই সব আর সহ্য করতে হবে না। তিনি আরও ক্ষুব্ধ হয়েছেন যখন নানামুখী চেষ্টা সত্ত্বেও জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যায়নি জাতীয় নাগরিক পার্টি । তবে দলটির সঙ্গে সরকার ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ অব্যাহত আছে, যাতে পরে হলেও তারা সনদে সই করতে রাজি হয়।সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর গতকাল শুক্রবার রাতেও এনসিপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, গত রাতের আলোচনায়ও দলটির নেতারা আগের অবস্থান তুলে ধরেছেন। তবে এনসিপিকে সনদ সইয়ে রাজি করাতে সরকারের দিক থেকে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।এনসিপি সূত্র বলছে, আইনি ভিত্তির নিশ্চয়তা না থাকায় এনসিপি জুলাই সনদে সই করেনি। তাদের মতে, জুলাই সনদ কার্যকর করতে হলে প্রধান উপদেষ্টাকে একটি বিশেষ সংবিধান আদেশ জারি করতে হবে, যার ভিত্তিতে গণভোট হবে এবং পরবর্তী সংসদকে দ্বৈত ভূমিকা দেওয়া হবে। তবে ঐকমত্য কমিশন যেহেতু সনদ বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ অন্তর্বর্তী সরকারকে দেবে। তাই বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আরও আলোচনার সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ এনসিপি আরো কিছু দিন সময় পাবে। এখন দেখার ইউনূস সাহেব তাদের কতদিন সময় দেন, কারণ এই জুলাই সনদের কার্যক্রম আরও বেশ কিছু দিন চলবে,এই সময়ের মধ্যে যদি ছাত্ররা ইউনূসের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে জুলাই সনদে সই করে দেয়, তাহলে হয়তো তিনি তাদের ক্ষমা করে দিতে পারেন। আর বেশী বেয়াদপি করলে হয়তো ভোটের আগেই এই ছাত্রদের অনেক দূর্নিতী সামনে আসবে এবং তাদের জেল পর্যন্ত খাটতে হতে পারে। তিনি যে এগুলি করতে কোন দ্বিধা করবেন না, তা তো বোঝাই গেছে আখতারকে যে ভাবে লন্ডনের মাটিতে ডিম খায়িয়েছেন এবার হাসনাত সারজিসদের না দেশের জেলে ডিম ভাত খাওয়ান। এখন এনসিপি নেতা বিএনপির সালাউদ্দিন সাহেবকে জুলাই আন্দোলোন নিয়ে মন্তব্য করায় ক্ষমা চাইতে বলছেন। কিন্তু বিএনপি এই নেতারা ছাত্রদের মত উগ্র অথবা আবেগের রাজনীতি করে না। তারা তাদের জায়গাটিকে নড়বড়ে রেখে কারো সাথে যুদ্ধে যায় না। যেমন গেছে এনসিপি। তারা সবার বিরুদ্ধেই মুখ খুলেছে। শুধু তাই নয় ইউনূস বিএনপি সবাইকেই হুমকিও দিচ্ছে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post