তারেক রহমান ঘরে ফিরলেন। বৃহস্পতিবার তিনি ঢাকায় অবতরণ করেন। তারপর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজধানী ঢাকার পূর্বাচলের ৩০০ ফিটে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেন, তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তিনি আরও বলেন, যে বাংলাদেশে একজন মানুষ নিরাপদে ঘর থেকে বের হতে পারে ও ঘরে ফিরে আসতে পারে সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব।
আসলে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ হয়তো এমন কিছুই চাইছিলেন। আর সেটাই বলেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, আমি চাই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এমন একটি জীবন বেছে নিক যেখানে সকলেই নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আরও বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। এ দেশে পাহাড়ের, সমতলের, মুসলমান, হিন্দু বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবাই আছে। আমরা নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন নারী, পুরুষ, শিশু যেই হোক না কেন নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে, যেন নিরাপদে ফিরতে পারে। আসলে ১৭ বছর পরে ফিরেছেন দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান। আশ্চর্যের বিযয় হল আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসস রয়টার্স, এএফপির মতো সংবাদ সংস্থা তারেককে বাংলাদেশের ‘সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী’ বলেই উল্লেখ করেছে। ৬০ বছর বয়সি তারেক ২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে ছিলেন। সেই হিসেবে তিনি দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে ছিলেন না। এখন তিনি দেশে ফিরলেন। আর তাতেই বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপ্রকতি বদলে গিয়েছে।
তারেক রহমানের এ হেন বক্তব্য সম্পর্কে ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, তিনি আসলে এনসিপি ও জামাতের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি ঘুরিয়ে বললেন, “আই হ্যাভ আ প্ল্যান“। তবে এখন একটাই প্রশ্ন, কী এই প্ল্যান, যা নিয়ে বিস্তর জল্পনা ও গুঞ্জন চলছে। এই প্ল্যান আসলে বাংলাদেশের রিফর্ম বা বাংলাদেশের সংস্কার তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে খালেদা পুত্র বাংলাদেশে ফেরার পর বিএনপির দিকে হাওয়া বেড়েছে এটা নিয়ে কারও সন্দেহ নেই। অন্যদিকে, জামাত ও অন্যান্য ইসলামিক সংগঠনগুলির মধ্যে একটা চাপা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে তারেক রহমান দেশে ফেরায়। এর একটাই কারণ, জামাত যে পরিকল্পনা করেছিল, তারেক দেশে ফেরায় সেটা ভেস্তে গিয়েছে।












Discussion about this post