বাংলাদেশের ভোট যদি বিরোধীদের বাদ দিয়ে বাকি দলগুলির মধ্যে সমঝোতা করে হয়,তবে সংসদে বিরোধী হবে কারা?ছাত্রনেতাদের কথায় এখন যে সরকারী কাজ কর্ম চলছে তা ভাগাভাগি করে চালাচ্ছে জামাত এবং বিএনপি। কিছু দিন আগেই মাহফুজ আলম সাংবাদিকদের সামনে আসল সত্যটি ফাঁস করে ফেলেন। এখন প্রশ্ন জামাত বিএনপি যদি জোট করেই ভোট লড়তে চায়, তাহলে বিরোধী কারা। আর এই খারাপ সময়ে বহু অর্থ ব্যয় করে ভোটের প্রয়োজন কি? এর চেয়ে তো পাঁচ বছরের জন্য তত্বাবধয়ক সরকার গঠন করেই দেশ চালানো ভালো। বাংলাদেশে ভোট হোক বা না হোক, সব দিকে দিয়েই লাভ হবে জামাতের। যারা নিজেদের দেশ পাকিস্তানে ক্ষমতার স্বাদ পায়নি, তারা এখন বাংলাদেশে ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করছে। তারা ভেবেছিল আগামী দিনে তারাই বাংলাদেশের সিংহাসনে একছত্র আধিপত্য দেখাবে। সেই কারণে তাদের মতাদর্শে বিশ্বাসী দশটি দলকে নিয়ে তারা জোটের ঘোষনাও দিয়েছিল। এবং প্রতিটি দলের জন্য আসনও ভাগ করা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এক খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তাদের সব হিসাব বদলে দেয়। তারা দেখতে পায় ক্ষমতা তাদের হাতের কাছে এসেও বিএনপির পকেটে চলে যাচ্ছে। ফলে তারা ক্ষমতায় থাকার জন্য বিএনপির সঙ্গে জোটের কথা জানায়, এবং জামাত বিএনপির মধ্যে তারেক রহমানকে সামনে রেখে মিটিং-এর ছবিও প্রকাশ্যে আসে। শুধু তাই নয় জামাতের ছাত্রনেতারা মানে ডাকসুর ছাত্ররাও তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করে। অর্থাৎ ভোট হলে কে জিতবে তাই নিয়ে দুই প্রধান দলের মধ্যে আত্মবিশ্বাস না থাকার কারণে, ক্ষমতার লোভে তারা জোটে যেতে চাইছে। ফলে ফেব্রুয়ারীতে ভোট হলে তা হবে এক আশ্চর্য্য ঘটনা। ভোট হয় শাষক এবং বিরোধী বেছে নেওয়ার জন্য, কিন্তু সবাই মিলে জোট করে ভোট করালে, প্রশ্ন থেকে যায় কে বিরোধী হবে? নাকি ভারত থেকে শেখ হাসিনা মাঝে মাঝে সরকার বিরোধী ভাষন দেবে, সেটিকেই বিরোধী স্বর বলে ধরে নেবে গোটা বিশ্ব।যদিও সেই ব্যবস্থাও করে রেখেছে জামাত, যে সমস্ত মুখগুলি তাসনিম জারার মত স্বতন্ত্র পার্থী হিসাবে জিতবে, তারাই বিরোধীর ভূমিকা পালন করবে। সেকারণে তারা এই রমক দু-চারজন প্রার্থীকেও জিতিয়ে দিতে পারে। ২০০১ এবং ২০০৬ একই ধরণের সরকার দেখেছে বাংলাদেশের জনগন। সেই অভিগজ্ঞতা থেকে মানুষ কি এই জোট সরকার মেনে নেবে। কতদিন চলবে সেই সরকার? মানুষকে আবার পথে নামতে হবে। যদিও অনেকে বলছে এতে আওয়মীলীগের ভালোই হবে। দ্রুত ফিরতে পারবে তারা। কিন্তু এই ব্যবস্থা মেনে নেবে কি ভারত? আবার অনেকেই বলবেন এখানে ভোটে ভারতের ভূমিকা কি? রাশিয়ার না হয় পরমাণু বিদ্যুত প্রকল্প আছে, তাই তারা চাইবে ভোটে যেই জিতুক, তাদের বিদ্যুৎ প্রকল্প যেন চালু থাকে, কারণ তাদের ব্যবসায়ীদের অনেক ইনভেস্ট আছে। কিন্তু ভারতের শুধু ইনভেস্ট নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন অস্থিরতা সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার, এ সবের প্রভাব পড়ে ভারতের সীমান্তে। এমনকি ভারতের রাজানীতিতেও। তাই ভারত চাল গম আলু পিঁয়াজ পাঠিয়ে নিশ্চয় জঙ্গীদের পেট ভরাতে চায়বে না। ভারত চাইবে বাংলাদেশ সর্বধর্মের ভিত্তিতে চলুক। তাদের যে সংবিধান আছে সেই সংবিধান যেন সরকারের দিক নির্দেশ করে। এমনিতেই সে দেশে ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলিম, তার পরও তারা মুসলিস দেশ না হলে চলবে না বলে জেহাদ করে, সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার করে। ফলে রাশিয়াও চাইবে না সে দেশে ক্রমাগত উত্তেজনা বজায় থাকুক, তারাও বন্ধুদেশ হিসাবে ভারতের সুরেই সুর মেলাবে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post