সবার আগে সুসংবাদ। জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব আখতার হোসেনকে ডিম ছোঁড়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত নটায় তাঁকে পুলিশ জামিনে মুক্তি দেয়। ওয়াশিংটন যুব লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম এই খবর দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফর সঙ্গীদের এমিরেটসের একটি বিমান জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, এনসিপি সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সচিব ডা. তাসনিম জারাকে ঘিরে স্লোগান দিতে থাকে আওয়ামী লীগের কয়েকশো সমর্থক। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এবং কয়েকজন বিএনপি কর্মী তাদের নিরাপদে টার্মিনালের বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সেই সময় যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান আখতার হোসেনকে লক্ষ্য করে ডিম ছোঁড়েন।
কিন্তু ঘটনা হল নিউ ইয়র্ক পুলিশ কি মিজানুর রহমানকে ডিম ছোঁড়ার অপরাধে গ্রেফতার করেছে? একেবারেই নয়। কারণ, এই সব ছোটখাটো ঘটনায় ওই সব দেশের পুলিশ গ্রেফতার তো করেই না। আর যদিও বা করে, তাহলে কিছুক্ষণ বাদেই তাকে ছেড়ে দেয়। আসল ঘটনা হল অন্য।
বিএনপির এক কর্মী মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে পুলিশ একটি মিথ্যে অভিয়োগ দায়ের করে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মিজানুরকে গ্রেফতার করে। পরে অবশ্য তাকে ছেড়েও দেয়। এবার দেখা যাক কী অভিযোগ করা হয়েছিল ? মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বিএনপি এক কর্মীর অভিযোগ করে বলে, মিজানুর তাকে খুন করার চেষ্টা করেছে। ওর কাছে বন্দুক ও ছুরি রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে নিউ ইয়র্ক পুলিশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। মিজানুরকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে এসে তল্লাশি চালায়। তল্লাশিতে পুলিশ ছুরি বা বন্দুক কিছুই পায়নি। আদালতে জামিনের জন্য মিজানুর আবেদন করলে আদালত তাকে মুক্তি দেয়। মিজানুর এখন চাইলে বিএনপির ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়ের করতে পারেন। তবে মিজান সেটা করবে কি না সেটা তাঁর ওপর নির্ভর করছে।
এবার আসা যাক ইউনূসের বিষয়ে। জাতিসঙ্ঘে যাওয়ার খরচ বাংলাদেশি টাকায় সাতশো কোটি। তবে এই টাকা খরচের পিছনে অন্য উদ্দেশ্য আছে। ইউনূস গোপন অ্যাজেন্ডা নিয়ে নিউ ইয়র্ক এসেছেন। লক্ষ্য করলে দেখবেন, ইউনূসের সেই হাসি মুখ কিন্তু নেই। হাসছেন অনেকটা না হাসার মতো। কারণ, তার বুকের মধ্যে একটা বেদনা কাজ করছে। তিনি একসময় বিশ্বজুড়ে সুনাম কুড়িয়ে ছিলেন। বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী যে ভাবমূর্তি তৈরি করেছিলেন, সেই ভাবমূর্তিতে তিনি নিজেই কালি ছিটিয়েছেন। বলা যেতে পারে, নিজের পায়ে নিজে কুড়ুল মেরেছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, করুণ আর্থিক পরিস্থিতি – সব মিলিয়ে বাংলাদেশকে তিনি এক অন্ধকার জগতে নিয়ে গিয়েছেন। সেখান থেকে ফেরার পথ খুব কঠিন। গ্লোবাল মিডিয়ায় টাকা ঢেলেছেন শুধুমাত্র নিজের প্রচারের জন্য। এই অবস্থায় ইউনূস ভালো করেই জানে আগামীদিন তার ভালো যাবে না। তিনি চাইছেন ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দিয়ে বিদায় নিতে। যদিও একটা মহল মনে করছে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টিকবে না মহম্মদ ইউনূস। আবার ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হবে নিয়ন্ত্রিত। ইউনূস একটি বিষয়ে নিশ্চিত, বাংলাদেশে তাঁর আর থাকা হবে না। অতঃ কিম? গুঞ্জন রয়েছে ফ্রান্সকে নিয়ে। তবে ফ্রান্স এখন সবুজ সংকেত দেয়নি। পূর্ব তিমুর তাকে গ্রহণ করার জন্য বসে রয়েছে। জাতিসঙ্ঘে ইউনূসের বেশ কয়েকজন রাষ্ট্রপ্রধানের সাক্ষাৎ রয়েছে। ইউনূস তাদের সঙ্গে সমঝোতা করবেন। সোজা কথায় আশ্রয় চাইবেন।












Discussion about this post