বাংলাদেশের অস্থির পরিস্থিতিতে যে ভারত উদ্বিগ্ন, সেটা এতোদিন পর্যন্ত মৌখিকভাবে সীমাবদ্ধ ছিল। সেই উদ্বেগে এবার সরাসরি সরকারি সিলমোহর পড়ল। সিলমোহর দিল মেঘালয় সরকার।
গত ২৫ নভেম্বর পূর্ব খাসির জেলাশাসকের দফতর থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। বিজ্ঞপ্তি নৈশকালীন কার্ফু সংক্রান্ত। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী দু’মাসের জন্য পূর্ব খাসি পাহাড় জেলায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের সংবেদনশীল এলাকায় রাত্রীকালীন কার্ফু জারি থাকবে। কার্ফু রাত আটটা থেকে পরের দিন সকাল ছটা পর্যন্ত।
সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং সেই পরিস্থিতির সুযোগে সীমান্ত পেরিয়ে ভারত ভূখণ্ডে ঢুকে পড়তে পারে অবাঞ্ছিত ব্যক্তিবর্গ, ঘোষিত সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সদস্যরা, চোরাচালানকারীরা এবং বেআইনি কার্যকলাপে জড়িতরা। সেটা প্রতিহত করতে প্রশাসন আগামী দুমাসের জন্য এই অঞ্চলে নৈশ কার্ফু জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,‘আমি, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শ্রীমতি আর এম কুর্বাহ ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ নম্বর ধারা অনুসারে, এই জেলায় নৈশকালীন কার্ফু জারির ঘোষণা করছি।’ কেন এই সিদ্ধান্ত, সেটা বিজ্ঞপ্তিতে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ।
বিজ্ঞপ্তিতে প্রথম কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যে আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে, সেই সীমানা অতিক্রম করে ভারত ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা হতে পারে। দ্বিতীয় কারণ, ওপারে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে মানুষ জড়ো হতে পারে। তাদের হাতে অস্ত্র থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যান্য আরও কিছু তাদের হাতে থাকতে পারে। সেই সব দিয়ে তারা সীমান্তের কাছে নাশকতা চালাতে পারে। তৃতীয় কারণ সীমান্তের ওপারে অবাঞ্ছিত কার্যকলাপের সম্ভাবনা। যেমন গোরু পাচার, নিষিদ্ধ সামগ্রী পাচার ইত্যাদি। সেই সব কিছু প্রতিহত করতেই এখানে আগামী দু মাসের জন্য নৈশ কার্ফু জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ ২৫ নভেম্বর থেকে সেটা কার্যকর হবে। ’
জেলাশাসক পরে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সীমান্তের কিছুটা অংশ বেশ স্পর্শকাতর। এই অঞ্চল দিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে। আবার ঘোষিত জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্যরাও ভারত ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করবে। তাদের সঙ্গে রয়েছে চোরাচালানকারীরা। রয়েছে ভারত-বিরোধী সংগঠিত সন্ত্রাসবাদীদের নেটওয়ার্ক। রাতের অন্ধকারে এই সব গোষ্ঠীর সদস্যরা জিরো লাইনে জড়ো হয়ে এই অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চালাবে। তাই, কার্ফু জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। ’
এদিকে, এদিনের আরও একটি খবরে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ি করিডোরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ৭৫টি ফাইটার জেট। মোতায়েন করা হয়েছে কয়েক হাজার সেনা। তিনটি বড়ো গ্যারিসন তৈরি করা হয়েছে। জারি করা হয়েছে নোটাম। অপর দিকে বিমানবাহিনীকে স্ট্যান্ডবাই থাকতে বলা হয়েছে। এর কারণ হিসেবে উঠে এসেছে পাকসেনার সঙ্গে বাংলাদেশ সেনার ঘনিষ্ঠতা, পাক-চিন প্রেম। আরও একটি বিষয় সাউথব্লকের আকাশে ঘোরাঘুরি করছে। সেটা হল শিলিগুড়ি করিডোর অস্থির করে তুলতে আন্তর্জাতিক চক্র কলকাঠি নাড়ছে? বাংলাদেশকে অস্থির করে তোলার কারিগর ছিল ডিপস্টেট। ভারতে যে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা করেনি তা নয়। প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খুন করার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। কিন্তু সেটা ভেস্তে যায়। তাই তারা এবার অন্য কৌশল নিয়েছে। শিলিগুড়ি করিডোরে আঘাত করলে কেল্লা ফতে।
প্রকাশ্যে গুলি। একবার নয়, একাধিকবার। বলা হচ্ছে গুলি মাথার এফোঁড় ওফোঁড় করে বেরিয়ে গিয়েছে। যারা গুলি চালিয়েছে, তারা এসেছিল বাইকের...
Read more












Discussion about this post