পাকিস্তানের বড় ভরসা জঙ্গিরা? আন্তর্জাতিক মহলে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পাকিস্তানের জঙ্গিযোগ। এক ভয়ঙ্কর ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে স্পষ্ট, পহেলগাঁও সন্ত্রাসীহামলার বিরুদ্ধে ভারতের প্রত্যাঘাতে মৃত জঙ্গিদের দেহ মোড়া হয়েছে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকায়! এমনকি পাক সেনা ও পুলিশের উপস্থিতিতে জঙ্গিদের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই ফের একবার প্রশ্নের মুখে পাকিস্তান জঙ্গিযোগ।
পহেলগাঁও কাণ্ডের ১৫দিনের মাথায় ২৬ জনকে হত্যার কঠোর বদলা। ভারতের প্রত্যাঘাত, পাকিস্তান-পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পরপর জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করল দেশ। মঙ্গলবার মধ্যরাতে যখন গোটা ভারতবাসী গভীর নিদ্রায় আছন্ন তখনই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চরম আঘাত হানল ভারত। পহেলগাঁওয়ের নৃশংস ঘটনায় সিঁদুরের বদলা নিতেই ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু। রাতের অন্ধকারে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করল ভারত। মধ্যরাতে মাত্র ২৫ মিনিটের অপারেশন, জইশ,লস্কর,হিজবুলের ৯ ঘাঁটি ধ্বংস করল ভারত। ভারতের প্রত্যাঘাত, মুম্বই হামলার চক্রী মাসুদ আজহারের পরিবার নিকেশ। মাসুদ আজহারের পরিবারের ১৪জন নিহত হয়েছে বলে খবর সূত্রের।
উল্লেখ্য, এই আবহে পাকিস্তানের যে ভয়াবহ ছবি সামনে আসছে তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা সমালোচনা। মুরিদকে ফুটবল স্টেডিয়ামে ভারতের হামলায় নিহত জঙ্গিদের শেষকৃত্য সম্পন্ন হল, সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ অফিসার ও পুলিশ। এখানেই শেষ নয়, জঙ্গিদের দেহ যে কফিনে আনা হয়েছে, সেটিকে মোড়া হল জাতীয় পতাকায়। ফলে জঙ্গিদের প্রতি পাকিস্তান সরকারের সক্রিয় সমর্থনের অভিযোগ আরও জোড়ালো হচ্ছে। পাশাপাশি,এই দৃশ্য সামনে আসার পর অনেকেই বলছেন, এই ছবি প্রমাণ করে যে পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনী জঙ্গিদের ‘শহিদ’ বলে বিবেচনা করছে।
এই ঘটনায় ভারত জুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ যে সম্মান ভারতীয় সেনারা পায়, সেই একই সম্মান পাকিস্তান দিচ্ছে পাক জঙ্গিদের? সাধারণত,ভারতে এই সম্মান দেওয়া হয় যাঁরা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন অথবা জীবিত অবস্থায় দেশের সেনা বা কোনও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে আসীন ছিলেন। দেশমাতৃকার বিশেষ সম্মান পান দেশের জন্য জীবন দেওয়া এসকল সন্তান। এখানেই প্রশ্ন উঠছে তবে কি পাকিস্তান, যে সম্মান ভারতীয় শহিদদের প্রাপ্য, সেই একই শহীদ সম্মান কি জঙ্গিদের দিচ্ছে ? কেন জঙ্গিদের কফিন মোড়া হল পাকিস্তানের জাতীয় পতাকায়? অর্থাৎ এই ছবি স্পষ্ট করছে পাকিস্তানের জঙ্গিযোগ।












Discussion about this post