কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যুতে শোকোস্তব্ধ গোটা দেশ। এই ঘটনায় ভারত সরাসরি নিশানা করছে পাকিস্তানকেই। এদিকে
এখন থমথমে গোটা কাশ্মীর। পর্যটক শূন্য। বহু পর্যটনস্থল গুলিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। মাঝে মাঝে গোলাগুলি চালানো হচ্ছে। এমনকি দুই দেশের রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে বাকযুদ্ধ চলছে। পাকিস্তান ভারতীয় দূতাবাস থেকে সমস্ত ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। মাত্র ৩০ জন কর্মীকে সেখানে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, দিল্লিতে যে পাকিস্তান দূতাবাস রয়েছে, সেখানেও ভারত একই ব্যবস্থা নিয়েছে। ভারত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি বাতিল করেছে। এর মধ্যে ১৯৬০ সালে করা জল বন্টন চুক্তি বাতিল করেছে। অন্যদিকে রয়েছে সিমলা চুক্তি। এই চুক্তিটি ছিল অনেকগুলি চুক্তির সমন্বয়। এদিকে তুই দেশ থেকে বাণিজ্যিকভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এদিকে পাকিস্তান ভারতের জন্য আকাশপথ বাতিল করেছে। ফলে অনেকেই বলছেন, সামরিক স্তরে প্রায় যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এটি আলোচনা চলছে যে, পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধ হলে শুধুমাত্র ভারত বা ওয়েস্টার্ন ফ্রন্টে আটকে থাকবে না। কারণ সিমলা চুক্তি যে বাতিল করছে, তার মধ্যে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তি যুদ্ধ এর পরে পাকিস্তানের সৈন্যরা ধরা পড়েছিল, যাদের ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, এবং সিমলা চুক্তির মাধ্যমে তাদের ফেরত দেওয়া হয়েছিল। এখন ওই চুক্তিটি ১৯৭১ সালে আত্মসমর্পণের যে দলিলটি হয়েছিল, সেখানে ভারতীয় বাহিনীর সঙ্গে পাকিস্তান বাহিনীর। এবং আত্মসমর্পণের দলিলের প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের ৯৩ হাজার সৈন্যকে বন্দি করে নিয়ে গিয়েছিল। এবং ওই সিমলা চুক্তির মাধ্যমে তাদের ফেরত দেওয়া হয়েছিল।ফলে এই চুক্তির জেরে, পাকিস্তান বলতেই পারে বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি এখন আমাদের। অন্যদিকে ভারতও বলতেই পারে এই অংশটি আমাদের অধিকৃত। কাজেই আমদের অধিকৃত ভূমি বাংলাদেশকে দিয়েছিলাম, এখন আমরা তোমাদের কবল থেকে বাঁচার জন্য আমরা দখল করে নিলাম। এইরকম কাজ একটা হতে পারে তার সম্ভাবনা জোড়ালো হচ্ছে। কারণ শিলিগুড়ি করিডোরে প্রচুর পরিমাণে অস্ত্র মোতায়ন করা হয়েছে। গোলা বারুদ, সেনা দিয়ে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ফলে পাকিস্তান ভারতের যুদ্ধ হলে বাংলাদেশের উপর আঁচ পড়বে। এই যুদ্ধে ভারত বাংলাদেশকে জড়িয়ে ফেলবে অন্যদিকে পাকিস্তানো বাংলাদেশকে জড়িয়ে ফেলবে। কাজেই কাশ্মীরের এই ঘটনা বাংলাদেশকেও চাপে ফেলেছে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন করানোর কথা বলেছিলেন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি জানিয়েছিলেন, এই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ...
Read more












Discussion about this post