বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের ধৈয্যের সীমা শেষ। এবার বাংলাদেশে সেনাঅভিযানের প্রথম পর্যায় শেষ। ভারতের তরফে বার্তা স্পষ্ট। এবার যদি বাংলাদেশ বুঝেও না বোঝার ভান করে, তবে পাকিস্তানের মত সার্জিক্যাল স্টাইকের জন্য প্রস্তত থাকতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশের তরফ থেকে ভারত বিরোধীতা শুধু মুখেই নয়, মাঠ পর্যায়ে সরকারী সহযোগীতায় জঙ্গীদের যে প্রশয় দেওয়া হচ্ছে, তা বহুদিন ধরে বলে আসছে ভারত। এবার ব্যবস্থা না নিলে ভারত যে আর ধৈয্য ধরে অপেক্ষা করবে না, তারই প্রমান হল চার ভারতীয় সেনা অফিসারের বাংলাদেশ সফর এবং শুধু তথ্য প্রমানই নয়, সেনাপ্রধানকে সঙ্গে করে নিয়ে গিয়ে, কোথায় কোথায় জঙ্গীদের ব্যাঙ্কার এবং প্রশিক্ষন ঘাঁটি তৈরী হচ্ছে তাও দেখিয়ে দেওয়া হল। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের তিন সেনাবাহীনির বিভিন্ন ডিভিশনের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকও হয়েছে। ভারতের এই সেনা সফর বহুভাবে আটকাতে চেয়েছিল ইউনূস সরকার। কিন্তু এবার ওয়াকার আর ইউনূসকে পাত্তা না দিয়ে, এই সফরকে সম্মতি দিতে বাধ্য হয়েছে। এবং নিজে ভারতীয় সেনাদের সঙ্গে গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ব্যস্তবতাগুলি দেখে এসেছে। এবার যদি বাংলাদেশ ইউনূস প্রশাসন ভারত বিরোধী জঙ্গী ঘাঁটিগুলি দমনে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তবে পাকিস্তানের মতই হাল হবে বাংলাদেশের। প্রথম পর্যায়ে জঙ্গী ঘাঁটিগুলিকে টার্গেট করে ধ্বংস করবে ভারত। যেমনটি করা হয়েছে পাকিস্তানের জঙ্গী ঘাঁটিগুলিকে। যদিও পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স ছিল ভারতের আক্রমনকে প্রতিহত করার জন্য। এবং তারা কিছুটা হলেও চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বাংলাদেশের তো কোন এয়ার ডিফেন্সই নেই। তাছাড়া সেনাপ্রধানকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে যে প্রমানগুলি দেখানো হয়েছে, তার নথি পথ্য তো ভারত এবং বাংলাদেশ সেনা, দু-তরফেই রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কিছু বলতে গেলে ভারত তো দেখাবে যে তারা আগেই আক্রমন করেনি। বাংলাদেশ সেনাকে তার তথ্য প্রমান দেওয়া হয়েছে, শুধু তাই নয় বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা বাহীনিও যে এই জঙ্গীদের সঙ্গে যুক্ত, বিভিন্ন ভাবে তাদের মদতও দিচ্ছে তারও প্রমান আছে ভারতের কাছে। তাই সঠিক ব্যবস্থা না নিলে, এবার যে সেনাঅফিসাররা গোপনে গিয়ে ফিরে এসেছে। সেই অফিসাররাই আক্রমনের আগাম খবর দিয়ে আক্রমন করবে। যেমন পাকিস্তানকে আগাম জানিয়ে জঙ্গীঘাঁটি গুলিকে ধ্বংস করা হয়েছিল। অনেকই মনে করছেন ভারত সবে শুরু করেছে। এখনই বাংলাদেশ সাবধান না হলে, বড়সড় সেনা অভিযানের মুখে পড়বে। আর বাংলাদেশ যদি পাকিস্তান বা তুর্কির ভরসায় থাকে, তবে বেশী পিছনে যেতে হবে না, গত কয়েক দিনেই ভুমধ্যসাগরে তুর্কিকে কোন পরিস্থিতির মধ্যে ফেলেছিল ভারতীয় নৌবাহিনী তার ইতিহাসটা দেখলেই বুঝে যাবে ভারত আর তুর্কির ক্ষমতা। এটা বলা যেতেই পারে যে,যতটা ধৈয্য ধরার প্রয়োজন ছিল তার থেকে অনেক বেশী ধৈয্য দেখিয়েছে ভারত। তার কারণ দেশটি হল বাংলাদেশ,যে দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্ষমতার আসনে পাকিস্তানপ্রেমী হলেও, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ যেমন ভারতকে ভালোবাসে তেমন ভারতও নিজেদেরকে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সুখ দুঃখের সাথী মনে করে।কিন্তু এখন কি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ সুখে শান্তিতে আছে। পরিবর্তন আর সংস্কারের নামে চলছে কট্টোরবাদীদের জোর জুলুম।এবং সেটিকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন এবং সহযোগীতা করে চলেছে বর্তমান সরকার। তাই সুপ্রিমকোর্টে হাসিনার আমলের থেকে অনেক বেশী বিচারপতি নিয়োগ হওয়া স্বত্বেও একজনও সনাতনী বা সংখ্যালঘুর ঠাঁই হয়নি।আর এই সরকারের প্রধানই আবার আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের বিরোধীতা করে।












Discussion about this post