সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন ৭ নম্বর লোক কল্যাণ মার্গে রাতে জরুরী বৈঠক ডাকেন। বৈঠকে ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী কিঞ্জারাপু রামমোহন নাইডু, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (ন্যাশনাল সিকিউরটি অ্যাডভাইজার বা এনএসএ) অজিত ডোভাল, চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান, এবং তিন বাহিনীর প্রধান। সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, এই খবর পূর্বনির্ধারিত ছিল না। এই বৈঠকে ‘দ্য ওড ম্যান’ কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী রামমোহন নাইডু। কেন, সে বিষয়ে যাওয়ার আগে কেন তিনি ‘ওড ম্যান’, তার একটা সহজ ব্যাখ্যা দেওয়া যাক।
তাঁকে বাদ দিলে আর যাঁরা থাকেন, তাঁরা হলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, এনএসএ, তিন বাহিনীর প্রধান, সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে মাঝে-মধ্যেই এই ধরনের রুটিন বৈঠক করে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। সেই রুটিন বৈঠকে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রীকে ডেকে নেওয়া বিশেষ কিছু সংকেত দিচ্ছে। সংকেতটি হল ভারতে আকাশ পথ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পাকিস্তান ভারত আক্রমণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার দোসর হয়েছে বাংলাদেশ। হারামি নালা। দৈর্ঘ্য ২২ কিলোমিটার। এই নালা ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা নির্দেশ করছে। এর চারপাশে রয়েছে বিশাল জলাভূমি। গ্রীষ্মকালে এই এলাকার গড় তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অঞ্চলের এই নামকরণের কারণ, অংশটির আবহাওয়া পরিবর্তনশীল। জোয়ার এবং অগভীর জল এলাকাটিকে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং করে তোলে। দুই দেশের সেনাবাহিনীর কাছে অঞ্চলটি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজমল কাসাভের কথা মনে আছে নিশ্চই। এই নালা দিয়ে আরব সাগরে এসে উপস্থিত হয়েছিল এই কুখ্যাত জঙ্গি। মুম্বই হামলার পর থেকে ওই নালার নাম দেওয়া হয়েছে হারামি নালা।
কেন পাকিস্তানের দিক থেকে ভারতের আকাশপথ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান একদিকে ভারতকে অস্থির করে তোলার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরে তৈরি হয়েছে অস্থিরতা। পাক অধিকৃত কাশ্মীর অংশ বালোচিস্তান প্রদেশের বাসিন্দারা স্বাধীনতার দাবি তুলেছে। একই দাবি সিন্ধু প্রদেশের বাসিন্দাদের। সব দিকে থেকে পাকিস্তান জটিল অবস্থায় রয়েছে। ইতিহাসের পাতা ওল্টালে দেখা যাবে, পাকিস্তান যখই আভ্যন্তরীণ সমস্যায় উত্তাল হয়ে ওঠে, তখন দেশবাসীর নজর ঘোরাতে তারা নীল নকশা তৈরি করে। এই নীল নকশার টার্গেট ভারত। ভারতের ওপর তারা সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এবার তাদের নজর গিয়ে পড়েছে হারামি নালার দিকে। সূত্রের খবর, সেখানে তারা সৈন্য সমাবেশ ঘটাচ্ছে। দিন কয়েক আগে পাকিস্তান সেনাপ্রধানকে নিয়ে একটি খবর প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তান সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির বাংলাদেশ গিয়েছেন। তিনি সে দেশের সেনাকর্তা ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সরকারিভাষ্যে এই বৈঠককে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলা হলেও গোপন রিপোর্ট বলছে, ভারতে কীভাবে অস্থিরতা তৈরি করা যায়, তা নিয়ে ওয়াকারের সঙ্গে কু পরামর্শ করতে জেনারেল আসিম মুনির বাংলাদেশ গিয়েছন। আর সময়টাও কিন্তু বেশ নজর কাড়ার মতো। বঙ্গবন্ধু কন্যাকে ভারত দেশে ফেরত পাঠাবে কি না, তা নিয়ে যখন চর্চা চলছে, সেই সময় বাংলাদেশ সফরে গিয়েছেন জেনারেল আসিম মুনির। ইতিমধ্যে চট্টগ্রামে একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার এসে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দুই দেশের সেনার মধ্যে মহড়া হবে। কিন্তু মহড়ায় কেন ডেস্ট্রয়ার, তার কোনও সদুত্তর ওয়াশিংটন দিতে পারেনি। তবে সাউথ ব্লকও চুপ করে বসে নেই। তারাও প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। কথা বলছে চিন এবং রাশিয়ার সঙ্গেও।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post