জগাখিচুড়ি? না ঘোল? না পান্তাভাত? কী যে হচ্ছে বাংলাদেশে সেটা সাধারণ মানুষ তো বুঝতে পারছেন না। এমনকী শার্লোক হোমস, পিডি জেমস, জুলে ভার্ন যদি বেঁচে থাকতেন আর যদি তাঁদের কাঁধে এই দায়িত্ব তুলে দেওয়া হত যে বাংলাদেশে কী হচ্ছে সেটা যদি আপনারা তদন্ত করে বিশ্বকে জানান, তাহলে আমরা সকলেই উপকৃত হব। এমনকী বাংলাদেশের মানুষও উপকৃত হবে। তাহলে তাঁরা সাদা পাতা জমা দিতেন। স্বয়ং শিবের সাধ্য নেই এটা বোঝার যে বাংলাদেশে কী হচ্ছে। হাল ছেড়ে দিতেন ওয়াটার গেট স্ক্যান্ডালের সেই দুঁদে গোয়েন্দা উইলিয়াম মার্ক ফেল্ট সিনিয়র। যার আরও একটি নাম রয়েছে ‘ডিপ থ্রট’।
এই কিছুদিন আগে হাসিনাকে নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের একপ্রস্থ কথার কুস্তি হয়ে গেল। ঢাকা এবং উত্তরপাড়া বুঝে গেল হাসিনাকে নিয়ে সাউথব্লকের সঙ্গে কুস্তি করে কোনও লাভ নেই। এমনকী দোস্তি করেও না। হাসিনা এবং আসাদুজ্জামান খান কামালের বিষয়ে সাউথ ব্লক যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেখান থেকে তাদের কোনও অবস্থাতেই টলানো যাবে না। এমনকী প্রলয় হলেও না। সেটা বুঝে তারা মুখে কুলুপ এঁটেছে। বিষয়টা আপাতত ব্যাকসিটে চলে গিয়েছে। এবার এল আজব খবর। জবর খবরও বলা যেতে পারে। রসিতকতার সুরে বলা যেতে পারে, যাঁর বিয়ে সে নিজেই জানে না। অথচ গোটা পাড়াপড়শি জেনে গিয়েছে। তাঁরা বরযাত্রী হবেন বলে কড়া মাঞ্জা দিয়ে পোশাক পরতে শুরু করেছেন। চুলে টেরি কাটতে শুরু করেছেন। আর বর বাউন্ডুলের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
গোল বেঁধেছে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে নিয়ে। তিনি না কি পদত্যাগ করেছেন? আবার সেটা তিনি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও পোস্ট করেছেন। ব্যস, বাংলাদেশে হৈহৈ রৈরৈ কাণ্ড। কারণ, মানুষটা তো আর ইউনূস নন। অত্যন্ত ভদ্রলোক। বাংলাদেশে এমনিতেই ডামাডোল চলছে। এই অবস্থায় রাষ্ট্রপতি ইস্তফা দিলে তো সাড়ে সর্বনাশ। হাসিনা ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর পর থেকে চুপ্পুকে পদত্যাগের জন্য একাধিকবার চাপ দেওয়া হয়। সেই চাপের কাছে মাথা নত করতে অস্বীকার করেন সাহাবুদ্দিন। স্বাভাবিকভাবেই তিনি ইস্তফা দিয়েছেন – এই খবর বাতাসে ছড়িয়ে যাওয়ার পর থেকে একটাই প্রশ্ন ঘুরতে শুরু করে – শেষে রাষ্ট্রপতিও হার স্বীকার করে নিলেন?
আসল ঘটনা হল রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট কে বা কারা হ্যাকড করে নিয়েছে। হ্যাকড হয়েছে মঙ্গলবার। বিষয়টি বঙ্গভবন থেকে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির একান্ত সহকারী সচিব মো. সাগর হোসেন জানিয়েছেন, “মহামান্য রাষ্ট্রপতি মহোদয়ের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজটি হ্যাকড হয়েছে।’ তবে তিনি এই নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
বাংলাদেশের একটি প্রথমসারির দৈনিকের প্রতিবেদন অনুসারে, ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার সওয়া সাতটা নাগাদ। রাষ্ট্রপতির ফেসবুক পেজে হ্যাশট্যাগ দিয়ে একটাই শব্দ লেখা ছিল #Resignation’। সেটা নজরে পড়ে রাষ্ট্রপতির ফ্রেন্ড লিস্টে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের। সাড়ে সাতটার পর রাষ্ট্রপতি আবার একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আমার ফেসবুক পেজটি হ্যাকড হয়েছে। সেটা আপনাদের সকলকে অবগত করা হচ্ছে।’
এই প্রসঙ্গে সাগরে সহকারী পুলিশ সুপার সাগর হোসেন জানিয়েছেন, ‘কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সেটা আমরা তদন্ত করে দেখছি। আমরা মেটার সঙ্গেও যোগাযোগ করব। আমাদের বিশেষজ্ঞ দল ইতিমধ্যে মাঠে নেমে পড়েছে। ’
প্রকাশ্যে গুলি। একবার নয়, একাধিকবার। বলা হচ্ছে গুলি মাথার এফোঁড় ওফোঁড় করে বেরিয়ে গিয়েছে। যারা গুলি চালিয়েছে, তারা এসেছিল বাইকের...
Read more












Discussion about this post