বাংলাদেশের মধ্যে অপারেশন সিন্দুর চালু হয়ে গিয়েছিল বহুদিন আগেই। যখন ঢাকার হোটেল থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করার পরিকল্পনা চলছিল, তখন থেকেই অপারেশন সিন্দুর চালু। তবে এই অপারেশন সিন্দুর একটু অন্য রকম, সেই বিষয়ে আসার আগে একটু বলে নিই, তারেক রহমান কেন দেশে ফিরছেন না। বিশেষ করে তার মা খালেদা জিয়া যখন মৃত্যু শয্যায় শুয়ে।এখনতো তারেক রহমানই প্রধানমন্ত্রীর আসল দাবীদার, অথচ তারেক রহমান নিজেই বলছেন তিনি আসতে পারছেন না, কারণ সব কিছু নাকি তার হাতে নেই। দল থেকে বলা হচ্ছে তারও জীবন হানির আশঙ্কা আছে, আবার সেই আশঙ্কার অভিমুখ ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে ভারতের দিকে। বলা হচ্ছে তারের রহমান দেশে ফিরলে ভারতের র নামক গোয়েন্দা সংস্থা নাকি তাকে মেরে ফেলবে। ভারত তাকে দেশে ফেরার গ্রিনসিগন্যাল দিচ্ছে না। ভারত যে তারেক রহমানকে সহজে রাজনীতি করতে দেবে না তা হয়তো ঠিক। তবে এই পরিস্থিতিতে দেশে ফেরার ক্ষেত্রে ভারত কোন বাঁধা দেবে না।তবে ভারত চাইবে তারেক রহমান যে সন্ত্রাসের রাজনীতি করেছেন এবং ধরা পড়ার পর বিদেশ যেতে বাধ্য হয়েছেন, তাকে ভারত সহজে দেশে ফিরে রাজনীতি করতে দেবে না।এখন জানা যাচ্ছে তারেক রহমান দেশে ফিরতে না পারার মূল কারণ ভারত নয়। মূল কারণ হল জামাত পন্থি সেনারা, উপদেষ্টা প্রধান এবং জামাতে ইসলাম। তারা চাইছে যদি ভোট হয় এবং আওয়ামীলীগ না থাকে তবে নিশ্চিতভাবে বিএনপি জিতবে। আর এটাই চাইছে না জামাতপন্থি দলগুলি।আর তাদের নৈতিক সমর্থন দিচ্ছে তুরুস্ক। এই জামাত চাইছে হয় তারেক রহমানকে টপকে দিতে।নয়তো এটা নিশ্চিত করতে যে, প্রধান বিরোধী দল থেকে যেন উপপ্রধানমন্ত্রী দেওয়া হয়, সেটি তারেক রহমান ফেরার আগেই নিশ্চিত করতে। যদিও তারেক রহমানের দেশে ফেরায় বহু বাঁধা রয়েছে, সেই বাঁধা রয়ছে লন্ডন থেকেও। সেই সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই এবং তুরস্কের এর্দোগান চাইছে না যে তারেক রহমান দেশে ফিরুন। এখন তুরস্ক এবং পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ঘাঁটি গেড়ে বসেছে বাংলাদেশে। এই যে বাংলাদেশ পাকিস্তানের শিপগুলিকে বিনা চেকিং-এ বাংলাদেশে ঢুকতে দিচ্ছে, এর আসল কারণ হল, পাকিস্তান থেকে অস্ত্র এবং ড্রাগস বাংলাদেশে মজুত করা, এবং সেগুলি পশ্চিমবঙ্গ হয়ে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় পাঠিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করা। আর সেই কাজগুলি পাকিস্তান এবং তুরস্কের যে গোয়েন্দারা অপারেট করে, তাদেরই রহস্য জনক ভাবে মৃত্যু হচ্ছে বাংলাদেশের নামি দামি হোটেলে। আর সেখানে পুলিশ আসার আগেই সেই সব এজেন্টদের মৃতদেহগুলি দুতাবাসের মাধ্যমে কোন রির্পোট ছাড়াই তাদের দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত প্রায় চল্লিশের বেশী বিদেশী এজেন্ট মারা গেছে বাংলাদেশে। বলা হচ্ছে তারা নাকি হার্টঅ্যাটাকে মারা যাচ্ছে। যারা কঠোর প্রশিক্ষন প্রাপ্ত হয়ে গুপ্তচর সংস্থায় কাজ করছে, তারা এত সহজেই হার্টঅ্যাটাকে মারা যাবে, এটি কি বিশ্বাস করা যায়। পরিসংখ্যান বলছে এখন পর্যন্ত আট জন পাকিস্তানি এজেন্ট যারা সরাসরি আইএসআই-এর হয়ে কাজ করত,তারা মারা গেছে। ১৭ জন আমেরিকার অপারেটিভ যারা সিআইএ-এর হয়ে কাজ করত তারাও গোপনীয়ভাবে মারা গেছে। এমনকি ৬ জন তুর্কির এজেন্টও মারা গেছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিলাস বহুল হোটেলে। মজার ব্যাপার হল এদের কারো গায়েই কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। আছে অপারেশন সিন্দুরের আতঙ্ক।
প্রকাশ্যে গুলি। একবার নয়, একাধিকবার। বলা হচ্ছে গুলি মাথার এফোঁড় ওফোঁড় করে বেরিয়ে গিয়েছে। যারা গুলি চালিয়েছে, তারা এসেছিল বাইকের...
Read more












Discussion about this post