এবার অনুপ্রবেশ নিয়ে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিল বিএসএফ। কিছুদিন আগেই বিএসএফের ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছিল বাংলাদেশ। এমনকি আমেরিকার হিউম্যান রাইটস ওয়াচ সীমান্তে ভারতের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে বিএসএফের পদক্ষেপ অত্যন্ত চমকপ্রদ এবং নজিরবিহীন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যা করে, অর্থাৎ ট্রাম্প মডেল ফলো করছে বিএসএফ। যাতে মহম্মদ ইউনূসের মিথ্যে ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে যাবে। সীমান্তের সমস্ত জারিজুরি শেষ সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের বাহিনীর।
জানা যাচ্ছে, ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে যে সমস্ত বিএসএফ বাহিনী পাহারায় রয়েছেন, তাদের গায়ে ক্যামেরা বসাতে চলেছে ভারত সরকার। সীমান্তরক্ষীদের গায়ে ছোট ক্যামেরা ইন্সটল করবে ভারত। ক্যামেরার মডেল 2500 BWCs। এটার কারণ বিএসএফ কে কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে। এমনকি বাংলাদেশ দাবি করছে, ইচ্ছে করে বিএসএফ গুলি চালাচ্ছে। কিন্তু বিএসএফ দাবি করছে, ইচ্ছে করে নয়, বাধ্য হচ্ছে গুলি চালাতে। কিন্তু এবার এই ক্যামেরার সাহায্যে সমস্ত কিছু রেকর্ডিং হবে এবং জবাব দেবে ভারত।
আসলে অনেক ক্ষেত্রে বিজিবি ইচ্ছে করে অনুপ্রবেশ ঢোকাচ্ছে ভারতে। এমনটাই অভিযোগ। আর তাতেই বিএসএফ কোনও একশন নিলে তারা পালাতে যাচ্ছে। এবং উল্টে বিএসএফের দিকে আক্রমণ চালাচ্ছে। সেখান থেকেই বাঁচতে ভারতীয় সেনারা গুলি ছুড়ছে। জানা যাচ্ছে, ৭৭ টি অ্যাটাক হয়েছে বিএসএফের উপর। এই তথ্য শেষ ছয় মাসে।
এমনকি তথ্য বলছে, গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা ছিল ৩৪৭৩। এখন এই বছর ছয় মাসে সংখ্যাটা দাঁড়াচ্ছে ৪৯০৪ জন। অর্থাৎ অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। তবে ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগে এই পরিস্থিতি অনেকটাই লাগাম টানা যাবে। অন্যদিকে এই ক্যামেরা ব্যবহার করে আমেরিকার কাস্টমস অফিসাররা। অর্থাৎ আমেরিকার মডেল এবার ভারত অনুসরণ করতে চলেছে। এছাড়াও শেষ কয়েকটি মাসে ২৫০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে। এমনকি সিদ্ধান্তের পর বিএসএফের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হচ্ছে, বিএসএফের ওপর আক্রমণ চালানো এবং তারপর এই বিএসএফকে দোষী সাব্যস্ত করা। এগুলি বন্ধ হবে। অর্থাৎ এবার যোগ্য জবাব পাবে মহম্মদ ইউনূস এবং সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার।












Discussion about this post