ইন্ডিয়া ইজ এ গ্রেট কান্ট্রি এন্ড মাই ফ্রেন্ড। ডুইং ফেরি গুড জব। ওয়েল ডান ইন্ডিয়া। এটা বলছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনটাই বলে ভারতকে তিনি একটা বার্তা দিতে চাইলেন। কিন্তু হঠাৎ করে এই বার্তা কেন? তবে কি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক সহজ করার চেষ্টা করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প? কিন্তু কেন? শুল্ক নিয়ে বহু টানাপোড়েন দেখা গিয়েছে দুই দেশের মধ্যে। তবে হঠাৎ ট্রাম্পের মুখে ভারত প্রশংসা? কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা এর অনেকগুলি কারণ তুলে ধরছেন। ইতিমধ্যেই চিন বলে দিয়েছে, তারা আমেরিকাকে রেয়ার আর্থ মিনারেল সাপ্লাই দেবে না। কিন্তু তারা ভারতের জন্য দরজা খুলে দিয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি বুঝে এখন পাল্টি খাচ্ছেন। অনেকে বলছেন, সেই কারণে ভারতকে হাতে রাখতে চাইছে ট্রাম্প।
অন্যদিকে ক্রিসমাস সংক্রান্ত যাবতীয় কাঁচামাল সাপ্লাই বন্ধ করেছে চিন। অন্যদিকে আমেরিকার যে সমস্ত আমদানিকারকরা রয়েছে, তারাও বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে, তারা আর আমদানি করবে না কাঁচামাল। কারণ শুল্কের পরিমাণ এতটাই যে লাভের মুখ দেখতে পাওয়া কঠিন। ফলে অনকেই বলছেন, আমেরিকার শুল্ক যুদ্ধের জেরে চিন ও ভারত কাছাকাছি এসেছে। যেটা লক্ষ্য করেছেন ট্রাম্প। এমনকি তেল কেনা নিয়েও ট্রাম্প ভারতকে বার্তা দেওযার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ভারত সাফ বুঝিয়ে দিয়েছে, রাশিয়া থেকেই তেল তিনবে ভারত। ফলে রাশিয়া তো রয়েছেই। তিন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের বৈঠক গোটা বিশ্ব দেখেছে। চিন্তার ভাঁজ পড়েছিল ট্রাম্পের কপালেও। ফলে এখন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক সহজ করতে চাইছেন ট্রাম্প। এরমধ্যে আরও একটি বিষয় উঠে এসেছে। সেটি হল, বাংলাদেশের মার্কিন দূতাবাসে সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ হতে পারে বলে খবর এসেছিল। তখন বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র নিজেও ফোর্স পাঠায়। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র বুঝতে পেরেছে যে বাংলাদেশের উপর যে ইনভেস্টমেন্ট করছে তারা, সবটাই বৃথা হয়ে যাচ্ছে। এদিকে ভারতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক খারাপ হচ্ছে। যাতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে প্রভাব পড়ছে। ফলে সবমিলিয়ে পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হচ্ছে।
সূত্রপাতটা হয়েছিল, ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের সময় সংঘাত থামানো নিয়ে দাবি করেছিলেন ট্রাম্প। তিনি বারেবারে দাবি করেছিলেন, এই সংঘাত তিনি থামিয়েছেন। অথচ ভারত তা স্বীকার করেনি। এরপরই শুল্ক যুদ্ধ শুরু হয়। যদিও এর জেরে শুধু ভারত নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যায়। এমনকি তার নিজের দেশেও এই নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। এখন পরিস্থিতি জটিল হতেই ডিগবাজি খাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এখন বলতে বাধ্য হচ্ছেন, ভারত বন্ধু। এদিকে এই পরিস্থিতিতে বিপদের সংকেত পাচ্ছেন মুহাম্মদ ইউনূস। যে কোনও মুহূর্তে বাংলাদেশের উপর খাঁড়ার ঘা নেমে আসতেই পারে। এমনিতেই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে টালমাটাল পরিস্থিতি। ফলে বিপদের সংকেত উড়িয়ে দিচ্ছেন না কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।












Discussion about this post