সন্ত্রাসবাদ দমনে বড় ঘোষণা আমেরিকার। ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে মার্কিন গোয়েন্দা মহাপরিচালক তুলসীর গাবার্ড এর সরাসরি বার্তা, আমেরিকার একাধিক সংস্থা ভারতকে সহায়তা করতে পারে। যেভাবে ইসলামিক সন্ত্রাসবাদি সংগঠন ভারতকে উত্তপ্ত করছে সেই সন্ত্রাসবাদ দমন করতে একাধিক মার্কিন সংস্থা ভারতের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার সুপারিশ দিল আমেরিকা।
ভারতে সন্ত্রাসবাদি হামলার পর থেকেই আমেরিকা থেকে রাশিয়া সমস্ত শক্তিশালী দেশ গুলি সন্ত্রাসবাদ দমনে ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। আর এবার তুলসি গাবার্ড, যিনি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের একজন গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক হিসেবে বিবেচিত হন। এবার তিনি ভারতের সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে টুইট করে জানিয়েছেন,
‘পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ ইসলামপন্থী সন্ত্রাসবাদী হামলায় ২৬ জন হিন্দুকে নিশানা করে খুন করার ঘটনায় আমরা ভারতের পাশে আছি। যাঁরা প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাঁদের জন্য আমি প্রার্থনা করছি এবং গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি। আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও ভারতের মানুষের পাশে আছি। আমরা আপনাদের পাশে আছি এবং এই ঘৃণ্য হামলার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে আপনাদের সাহায্য করছি।’
অর্থাৎ তুলসী এই পোষ্টের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ দমনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকারের কথা ফের তুলে ধরেছেন । পহেলগাঁওয়ে সাধারণ পর্যটকদের প্রাণ কেড়ে নেওয়া জঘন্য হামলার সঙ্গে জড়িত জঙ্গিদের ধরে তাদের নিকেশ করার জন্য নিরাপত্তারক্ষীদের অভিযানে ভারতকে সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।
এমনকি ভারতের কাশ্মীরে ঘটে যাওয়া বেদনাদায়ক সন্ত্রাসী হামলার প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনালাপে সমবেদনা ব্যক্ত করেন এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে ভারতকে “কথায় নয়, কর্মে” সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। মার্কিন বিদেশ মন্ত্রক ও মুখপাত্ররা একাধিক বিবৃতিতে ভারতীয় প্রশাসনের পদক্ষেপের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন। পাশাপাশি, সন্ত্রাসবাদের মদতদাতা রাষ্ট্রগুলিকে আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার ডাক দিয়েছেন মার্কিন প্রশাসনের আধিকারিকরা।
এদিকে, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির নিশানায় পাকিস্তানের পাশাপাশি নাম উঠে এসেছে বাংলাদেশেরও। ইতিমধ্যে জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তেও মোতায়েন করা হচ্ছে সেনাবাহিনী চলছে সেনা অভিযান। পাশাপাশি পাকিস্তান ও বাংলাদেশ মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কড়া হুশিয়ারি, সন্ত্রাসবাদী দের খুঁজে বার করতে বিশ্বের যে কোন প্রান্তে যাবে ভারত। আবার সম্প্রতি এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান, “ভারত প্রতিটি সন্ত্রাসী ও তাদের মদতদাতাকে খুঁজে বার করবে এবং কঠোর শাস্তি দেবে। আমরা শোকের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ, এবং প্রতিশোধের সংকল্পে অটল”। তিনি এই হামলাকে ভারতের সহনশীলতার শেষ সীমা বলে উল্লেখও করেন।












Discussion about this post