রাজনীতিতে সময় কখনও এক থাকে না। গত ১৫ মাসে বাংলাদেশেও এক এক সময় এক এক রকম পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশে আরও এক অধ্যায়ের সূচনা করতে চলেছেন মহম্মদ ইউনুস। আজ তফসিল ঘোষণা। ধারণা করা হচ্ছে, জুলাই আন্দোলনকে স্মরণ করে রাখার জন্য জুলাইতে নির্বাচন করা হবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আদেও সুষ্ঠ নির্বাচন হবে বাংলাদেশে আর নির্বাচন হলে ক্ষমতায়ই বা আসবে কে উত্তরটা বলে দি, ক্ষমতায় আসবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী জামাত শিবির।
জনসমর্থন বেশি রয়েছে আওয়ামীলীগের। আয়ামীলীগকেই নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছে। ফলে নির্বাচন তো এইখানেই শেষ। আর আওয়ামীলীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে বাংলাদেশের এই নির্বাচনকে বিশ্বের কোনও দেশই মেনে নেবে না। ওয়াকার এবং ইউনুস ও জামাত মিলে ছক কষেছে যে সেনাবাহিনী ও প্রশাসনকে দিয়ে বিএনপিকে চেপে রেখে কোনও রকমে একটা নির্বাচন করে জামাত ক্ষমতায় আসবে। যদি এই পরিকল্পনা সফল ও হয়ে যায় তাহলে জামাত কতদিন ক্ষমতায় থাকবে বা ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে সেইটাই দেখার।
অন্যদিকে, তারেক রহমান দেশে ফিরছেন না। কিন্তু বিএনপি যদি নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসে তখনই তারেকের আগমন দেখা যাবে দেশে। রাজার মতো এসে ক্ষমতার মসনদে তিনি বসে প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশ চালাবেন। কিন্তু সম্যসা অন্য জায়গায় তা হল কেউ যদি ভোটার না হন তাহলে সে নির্বাচনে কখনই অংশ নিতে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে তারেক দেশে এলেও সে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। কারণ সে ভোটার না। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পরে তিনি ভোটার হতে পারবেন না। এমনকি তারেকের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও তাদের কন্যাও ভোটার না। বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আদেও জীবিত না মৃত তা কেউ জানে না। জানা যাচ্ছে তারেকের স্ত্রী জুবাইদা কে সামনে রেখে নির্বাচনী বৈতরণী পার করার চেষ্টা করছে বিএনপি। আওয়ামীলীগের পর বিএনপি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনপ্রিয় দল। কিন্তু গুম, খুন, মামলা – মোকদ্দমা, দুর্নীতি সহ আরও একাধিক কারণে জনগণের মাঝে বিএনপির আর সেই জনপ্রিয়তাটা নেই। মানুষ বিএনপিকে আর ভরসা করতে পারছে না। হাসিনা সরকারের পতনের পর বিএনপি মানুষের মনে জায়গা করে নিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। হবেই বা কি করে যেখানে বিএনপির নেতা লন্ডনে বসে। সেখানে বিএনপির কর্মী – সমর্থক ও নেতাদের পক্ষে জনপ্রিয়তা ফিরিয়ে আনা কোনওভাবেই সম্ভব না। তারেক রহমান দেশে আসার চেষ্টা চালালেও তাকে বাংলাদেশে আসতে দেয়নি ওয়াকার – ইউনুস আর জামাত। ফলে এই ভয়ের কারণে তারেকের দেশে না ফেরায় বিএনপির বড় ক্ষতি হয়েছে। যে নেতা জীবনের ভয়ে দেশে আসছেন না তিনি কিভাবে বাংলাদেশের এত জনগণের দায়িত্ব নেবেন। আর এই সুযোগেই গেমটা খেলে দিয়েছে জামাত। এই পুরো খেলাটাই আওয়ামীলীগ দেখবে, আর একটা সময় এই পুরো খেলাটাই চলে যাবে আওয়ামীলীগের হাতে।












Discussion about this post