আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। সেটা হল, ভারত পাকিস্তানের সঙ্গে কি যুদ্ধ লাগতে চলেছে? এমনিতেই ভারতের তরফে বলা হয়েছে, অপারেশন সিঁদুর শেষ হয়নি। আর এখন যা পরিস্থিতি, তাতে কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফের ভারত পাকিস্তান সংঘর্ষ তৈরি হলে, সেটা সীমিত আকারে হবে না। সেটা নাকি পূর্ব সীমান্তে ছড়িয়ে পড়বে। এই কথা পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফ্লো রিডারে দাঁড়িয়ে নিজের মুখে বলেছেন। এমনকি পাকিস্তানের আইএসপিআরের মুখপাত্র তিনি একই কথা বলেছেন। যুদ্ধের হুমকি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এবং বিলাওয়াল ভুট্টো। তারা ভারতকে শিক্ষা দিতে উঠে পরে লেগেছে। এদিকে ভারতও দ্বিমুখী লড়াই করতে প্রস্তুত।
তবে অপারেশন সিঁদুর হয়েছে এখনও দু মাস হয়নি। অপারেশন সিঁদুরে তছনছ হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। এখানেই ওয়াকিবহাল মহল বলছে, এরপরও ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করার কথা তারা কিভাবে বলে? কার বলে বলিয়ান হচ্ছে পাকিস্তান? তবে আশ্চর্যের বিষয় দেখা গিয়েছিল অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন। ভারত হারছে বলে এমন মিথ্যে অপপ্রচার চালিয়ে প্রচার করছিল বাংলাদেশের কিছু মানুষ। এমনকি তারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ নয়। কেউ কেউ মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাও বটে। তবে এই মিথ্যা অপপ্রচার বেশিদিন চলেনি। এদিকে পাকিস্তান ফের যুদ্ধের হুংকার দিচ্ছে ভারতকে, তার সাহস পাচ্ছে আমেরিকা থেকে। আসলে পাকিস্তান ভাবছে, এই সুযোগে একাত্তরের হাড়ের বদলা নেবে। আর সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলেছে পাকিস্তান। প্রথমে পাকিস্তানের শীর্ষ পদাধিকারীদের বক্তব্য থেকে মৌখিক হুংকার। এবং পরে সীমান্তে পাকিস্তান অনুপ্রবেশকারী ঢোকানোর চেষ্টা করছে ভারতে। উরি সীমান্তে পাকিস্তানের তরফে অনুপ্রবেশে চেষ্টা করা হলে, গোলাগুলির লড়াই শুরু হয়। এবং এক ভারতীয় ফৌজের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে।
তবে অনুপ্রবেশের বিষয়টি এই প্রথম নয়। সারা জীবনই পাকিস্তান চেয়েছে, ভারতের জঙ্গি প্রবেশ করিয়ে নাশকতা সৃষ্টি করা। যদিও ভারত অত্যন্ত সচেতন এবং নিরাপত্তা আরো জোরদার করা হয়েছে সীমান্তবর্তী এলাকায়। এদিকে পাকিস্তানের শীর্ষ আধিকারিকদের তরফে বলা হচ্ছে, তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে ভারতকে আক্রমণ করবে। এমনকি পারমানবিক যুদ্ধের হুমকি দেওয়া হচ্ছে ভারতকে। তবে পাকিস্তানের বোঝা উচিত, ভারত রাশিয়ার বন্ধুত্ব কেমন। রাশিয়ার কাছে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র। পাকিস্তান পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালে, চুপ করে থাকবে না রাশিয়া। ফলে দুর্বল পাকিস্তান আমেরিকাকে পাশে নিয়ে, যে খেলা খেলতে চাইছে, সেটাই বোঝা উচিত, আমেরিকা নিজের স্বার্থ ছাড়া কিছু বোঝে না। ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি দেখে, পাকিস্তানকে সাহায্য করে তাদের লাভ হচ্ছে না, তবে তারা সরে যাবে। এবং বিপদে পড়বে পাকিস্তান। সময় থাকতে থাকতে তাদের বোঝা উচিত। বলছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।












Discussion about this post