ভারত কেন বলছে বাংলাদেশে ইনক্লুসিভ ভোটের প্রয়োজন।
কারণ ভারত বলতে পারে না, এমন একটি ভোটের কথা, যেখানে শুধু মাত্র বিএনপি বা আওয়ামীলীগ বা জাতীয়পার্টি অথবা জামাত জিতুক। প্রতিবেশী দেশ হিসাবে ভারতকে বলতেই হবে ইনক্লুসিভ নির্বাচনের কথা। যেমন বলছে অন্যান্য দেশের সঙ্গে ডিপস্ট্রেটকেও বলতে হচ্ছে। কারণ ডিপ স্ট্রেট বাইরে থেকে যতই ইনক্লুসিভ নির্বাচনের কথা বলুক, ভিতর থেকে চাইছে না যে বাংলাদেশে নির্বাচন হোক। কারণ নির্বাচন মানেই একটি নির্বাচিত সরকার। আর নির্বাচিত সরকার হবে কাদের। যাদের জনসমর্থন আছে তাদের। আর এই মহুর্তে বাংলাদেশে খুব কম করে হলেও ৩৫ শতাংশ ভোট হল আওয়ামীলীগের এবং ৩০ শতাংশ ভোট হল বিএনপির, বাকি ভোট জাতীয় পার্টি এবং জামাতের। ফলে এখন যারা ক্ষমতায় আছে তারা হল দখলদার। আর এই দখলদার দের ডিপস্ট্রেট চাইলেও, চাইছে না ভারত। এর কারণ হল বাংলাদেশ উতপ্ত থাকলে তবেই ভারত ডিস্ট্রার্ব থাকবে এবং সেটি এক প্রান্ত নয় দুই প্রান্ত থেকে, মানে এক দিকে পাকিস্তান আর এক দিকে বাংলাদেশ। আর ভারত চাইছে একটি সুষ্ঠ নির্বাচন, কারণ নির্বাচন হলে জনগন তাদের ভালো চাই এমন কাউকে সরকারে আনবে। ফলে সেই সরকার ভিতরে ভিতরে ভারত বিরোধী হলেও, তাকে ভারতের সঙ্গে সু-সম্পর্ক রেখে চলতেই হবে। কারণ এই পাকিস্তান চিন আমেরিকা বা সিঙ্গাপুর কোন জায়গা থেকেই বাংলাদেশ এমন কিছু পাবে না, যা তাদের দেশের অর্থনীতি এবং খাদ্যপন্যের চেনকে অব্যাহত এবং সু-সংযত রাখতে পারবে।এটি পারবে একমাত্র ভারত। যে কারণে বর্তমান সরকারের এত ভারত বিরোধীতা স্বত্বেও, ভারত থেকেই চাল আলু পিঁয়াজ আমদানী করতে হচ্ছে। আর সেই নিয়ে প্রশ্ন করলে, উপদেষ্টাকে বলতে হচ্ছে কি কারণে ভারত থেকে আমদানী করতে হচ্ছে।। কিন্তু বাংলাদেশের কিছু মূর্খ জঙ্গীগুলো বলছে ভারত নাকি ফকিন্নির দেশ। আর এই ভারত যদি কোন দিন বাংলাদেশের সঙ্গে সব সম্পর্ক শেষ করে দেয়, সেদিন বাংলাদেশে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অভাবে শুধু বাজারে আগুন নয়, পাকিস্তানের মত অবস্থা হবে, পাকিস্তানে যেমন ২০০ টাকা কেজি আটা কিনতে হচ্ছে, তাও আবার লাইন দিয়ে মারামারি করে, এমনকি সেই লাইনে কখনও কখনও মানুষ মারাও যাচ্ছে। যারা ভারতকে ফকিন্নি পোলা বলছে, তারা কেন পারছে না সরকারকে চাপ দিয়ে ভারতের সঙ্গে আগের সব চুক্তি বাতিল করতে। এখনও তো তাদেরই সরকার আছে। পাকিস্তান শুধু বলতে পারে যে তারা বাংলাদেশের প্রয়োজনে মিশাইল দিয়ে সাহায্য করবে। কিন্তু সেই মিশাইল কি বাংলাদেশের খুধার্ত মানুষের পেট ভরাতে পারবে। যারা লাফাচ্ছে তারা তো ডিপস্ট্রেটের থেকে টাকা পেয়েছে। কিন্তু সেই সৌভাগ্য কি সবার হয়েছে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post