চীনে বিশ্বনেতাদের মধ্যে এমন কিছু ঘটনা লক্ষ্য করা গেছে যা ভাবাচ্ছে আমেরিকা তথা পাকিস্তান এবং বাংলাদেশকে। যদিও বাংলাদেশের কিছু মানুষ এতে আনন্দ পেয়েছেন, আবার কিছু মানুষ কষ্ট পেয়েছেন। কিন্তু মোদির জন্য পুতিনের অপেক্ষা করা অথবা মোদি এবং পুতিনের গাড়ীর মধ্যে বসে প্রায় এক ঘন্টা বৈঠক করা, অথবা চীন ভারতের মধ্যে অভূত বানিজ্য বৃদ্ধির চুক্তি, তিন বৃহৎ নেতার খোশ মেজাজে আলোচনা, সব মিলিয়ে আমেরিকায় বসে থাকা ট্রাম্পকে বার্তা আপনি আমাদের বাজার বন্ধ করলে আপনার সরকার বন্ধ করে দেব।আসলে তিন মহা শক্তিধর দেশের প্রধানদের মধ্যে কি চলছে তায় নিয়ে চিন্তায় আমেরিকা। যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয়, পুরো বিশ্বকে চালায় কারা ? আপনি নিশ্চয় বলবেন আমেরিকা। তাহলে কথাটি পুরোপুরি সত্য নয়। কারণ আমেরিকাকে চালায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, বর্তমানে যেমন ডোনান্ড ট্রাম্প। কিন্তু আমেরিকার প্রেসিডেন্ট কি সত্যিই আমেরিকাকে চালায়? না আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জাস্ট বেতন ভুগী কর্মচারী। এখন প্রশ্ন হল তাহলে সেই বেতনটি দেয় কে। আসলেই যারা গোটা বিশ্বকে পরিচালনা করে। বর্তমানে যারা বেতন দেন তারা দুই ভাগে বিভক্ত, তাদের একটি গ্রুপ হল ফেসবুক ইউটিউব মাইক্রোসফট যারা যুদ্ধ চায় না। কারণ যুদ্ধ হলে তাদের ব্যবসা পড়ে যাবে। আর একটি গ্রুপে আছে অস্ত্র নির্মানকারী কারখানার মালিকরা। যারা যুদ্ধ চায়, যত যুদ্ধ হবে তত তাদের ব্যবসা বাড়বে।
তাই তারা সারা বিশ্বে তাদের এজেন্ট ছড়িয়ে রাখে, ডিপ স্ট্রেটের মাধ্যমে যখন যেখানে খুশি সরকারকে ফেলে দেয়। পর্দার আড়ালে যারা সারা বিশ্বে যুদ্ধ বানিজ্য চালিয়ে যায়। আর তাদের সেই বানিজ্যের মধ্যে সারা বিশ্বে দাদাগিরি করার বড় অস্ত্র হল আমেরিকান ডলার। এবার সেই ডলারকেই ধ্বংস করার পথে ভারত রাশিয়া চীন। এই তিন দেশের তিন প্রধানের খোশ মেজাজের ছবি দেখে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ট্রাম্প। ভয়ে গুটিয়ে আছে শাহবাজ শরিফ। বাংলাদেশতো এখন দিশাহীন অবস্থায়। সেখানকার সরকার ঘনিষ্ঠ মাধ্যমগুলি এই ছবিকে এড়িয়ে যেতে না পারলেও। ভারত কেন যুদ্ধ রত রাশিয়ার সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করবে, অথবা চীনের মত শত্রুর সঙ্গে কেন হাত মেলাবে, এই নিয়ে আমেরিকা কি বলল, সেই সব আলোচনায় ব্যস্ত। কিন্তু আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ব্যারাক ওবামা আগে ভাগেই বলে দিয়েছিলেন যে ফাস্ট সেঞ্চুরিতেই গ্লোবাল পাওয়ার শিফট হতে চলেছে। এটি আর শুধু আমেরিকা বা চীনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
খুব শিঘ্রীই ভারত নিজেদের কে বিশ্বের সব ক্ষেত্রে প্রমানিত করবে। এখন অনেকেই বলবেন ওবামা বলেছেন বলে, অথবা ভারত রাশিয়া চীন একমঞ্চে কিছু আলোচনা করেছে বলেই কি আমেরিকার সব ক্ষমতা শেষ হয়ে গেল। বা আগামী দিনে আমেরিকার বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে। এর একটিই উত্তর, যদি এই ধরণের সম্ভাবনা না থাকত তা হলে আমেরিকা ভারতকে তাদের কাছে টানার প্রয়াশ করত না। অথবা শাহবাজ শরিফ পুতিনের কাছে হাত জোড় করে দাঁড়িয়ে থাকত না। আর আমরাও ভারতের মত আপনার বিশ্বস্ত বন্ধু হতে চায় বলে পুতিনের কাছে অনুনয় বিনয় করত না। আসলে চীনে বিশ্বনেতাদের মধ্যে এমন কিছু ঘটনা লক্ষ্য করা গেছে যা ভাবাচ্ছে আমেরিকা তথা পাকিস্তান এবং বাংলাদেশকে।












Discussion about this post