‘স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংস্কারের কাজ চালাচ্ছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার’’। শুক্রবার জাতিসংঘের সাধারণ সভায় বক্তৃতা দিলেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনুস। সেখানেই তিনি এই দাবি করেন। যদিও একদিন আগেই তিনি একটি সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এক অন্য দাবি করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তাঁকে নাকি তালিবান শাসক বলে।
মুহাম্মদ ইউনুসের বিদেশ সফর মানেই বিতর্ক। এবারও যেমন প্রোটোকল বিতর্ক দিয়ে শুরু হয়েছে তার নিউইয়র্ক সফর। এরপর ভারতকে ঠুসে কথা বলতে গিয়ে তিনি তালিবান প্রসঙ্গ টেনে আনলেন।
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার এই বক্তব্যের পরে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এই মুহূর্তে বাংলাদেশ কি কোন অংশে তালিবানি শাসনের থেকে কম চলছে? মহিলাদের ফুটবল প্রতিযোগিতা বন্ধ করে দেওয়া থেকে শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হিজাব শ্লোগান তোলা সবই ঘটেছে মুহাম্মদ ইউনুসের আমলে। এমনকি যে সাক্ষাৎকারে তিনি তালিবান প্রসঙ্গ তোলেন সেখানে উপস্থিত ছিলেন এমসিপি নেতা আখতার হোসেন। মজার ব্যাপার সাক্ষাৎকার নেওয়া ওই বিদেশী ভদ্রমহিলার সঙ্গে হাতি মেলাননি আখতার। এটাও সে তালিবানীর শাসনের কথা মনে করিয়ে দেয়। উল্লেখ্য, ওই সাক্ষাৎকারে ভারতকেও নিশানা করেছিলেন ইউনূস। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের ছাত্ররা যা করেছেন, সেটা ভারতের পছন্দ নয়। কারণ, ওই বিক্ষোভই শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরিয়েছে”।
মুহাম্মদ ইউনুস জাতিসংঘের সাধারণ সভায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে আবারো ডাহা মিথ্যা কথা বললেন। নিজের ভার্সিটিতে তিনি দাবি করেছেন, দলমত নির্বিশেষে, ঐকমত্যের ভিত্তিতেই বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও প্রশাসনিক সংস্কারের কাজ চলছে। অথচ কার্যক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে ঐক্যমত কমিশনের একাধিক বৈঠকের পরও কোন রাজনৈতিক দল ঐক্যমতে এসে পৌঁছায়নি। জাতিসংঘের ভাষণে ইউনুস বলেন, বাংলাদেশ আর কখনও স্বৈরশাসনের পথে ফিরবে না। দেশের গণতন্ত্র আর কখনও সঙ্কটের মুখে পড়বে না। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ওয়াকিবহন রোজী দাবি করে চলেছে গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে এক স্বৈরাচারী শাসন চলছে। আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশ থেকে দূরে রাখতে, অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হাসিনার দলকে নিষিদ্ধ করে রেখেছে ইউনুস সরকার। জানিয়ে কেবলমাত্র ভারত নয় রিটেল ফ্রান্সের মত পশ্চিমা দেশগুলিও স্বভাব হয়েছে।












Discussion about this post