আবার নাটক শুরু করেছেন মহম্মদ ইউনূস।আবার সেই শেষ অস্ত্র হল পদত্যাগের অস্ত্র। আর এই প্রসঙ্গটি এসেছে এবি পার্টির সম্পাদক ব্যারিস্টার ফুয়াদের কথাতে। তিনি বলেন এনসিপি এবং জামাত এই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করলে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন। এর পিছনের কারণ হল এনসিপি এবং জামাত বলে আসছে তারা মৌলিক সংস্কার এবং দৃশ্যমান বিচার না হলে নির্বাচনে যাবে না। ফলে এগুলি কে মেনে নেওয়ার জন্য নির্বাচনকে দুরে সরিয়ে রাখা খুবই দরকার। যদিও আমরা আগের থেকেই বলে আসছি এই সরকার নির্বাচন করাবেই না। তারা এই নির্বাচন ঘোষনা করেছে শুধু মাত্র সাধারণ জনগন যারা নির্বাচন চায় তাদের শান্ত রাখতে। এর পর পরিস্থিতি এতটাই খারাপ করা হবে যে, তখন সরকার বলতে সুয়োগ পাবে দেশের এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন সম্ভব নয়। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, গণ-অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের বিচার ও সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে বাংলাদেশে আবার পুরোনো সমস্যাগুলো ফিরে আসবে। গত বুধবার মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে সিঙ্গাপুরভিত্তিক চ্যানেল নিউজএশিয়া (সিএনএ) টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন তিনি। লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর খলিলুর রহমান বলেছিলেন মৌলিক সংস্কার এবং দৃশ্যমান বিচার যদি ফেব্রুয়ারীর আগে শেষ করা যায় তাহলে ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচন হতে পারে। তখন এত কিন্তু এবং যদি দেখে অনেকেই বলেছিলেন আসলেই ফেব্রুয়ারীতে ভোট হচ্ছে না। কিন্তু বিএনপি ঠিক করে কোনকিছু না বুঝেই খুশিতে ডগমগ ছিল। এবার তারা বুঝতে পারবে আসলে এই সরকার কি চাইছে।
ঐ সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে একটি গ্রহণযোগ্য, পরিষ্কার ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনের কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা। সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর যেসব লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন, সেগুলো অর্জনের কাছাকাছি পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। নির্বাচনের পরে সরকারে থাকার কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও জানিয়েছেন অধ্যাপক ইউনূস। বুধবার (১৩ আগস্ট) প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে সিএনএ জানিয়েছে, বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার আগামী ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে ব্যাপক সংস্কারের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। গত বছরের আগস্টে সরকার পতনের পর এটি হবে দেশের প্রথম নির্বাচন।
ড. ইউনূস সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘নির্বাচন যদি বৈধ না হয়, তাহলে সেই নির্বাচন করার কোনো মানে হয় না। আমার কাজ হলো একটি গ্রহণযোগ্য, পরিচ্ছন্ন, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা।অর্থাৎ আওয়ামীলীগ ছাড়া আর যে দলগুলি আছে বিশেষ করে এনসিপি এবং জামাত যাতে নির্বাচনে অংশ নেয়, সেটি নিশ্চৎ করা। তিনি আরও জানান, সংস্কারের ক্ষেত্রে অনেক কাজ করতে হয়েছে, কারণ বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে কারচুপি ও অপব্যবহারের শিকার হয়েছে।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত আশ্রয়ের বিষয়েও মন্তব্য করেন ড. ইউনূস। সিএনএ জানিয়েছে, বাংলাদেশ তাকে ফেরত চাইলেও ভারত প্রত্যর্পণ অনুরোধে সাড়া দেয়নি, ফলে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। কিন্তু ঐ সাখ্যাতকারে মুল যে বিষয়টি উঠে আসছে সেটি হল এমন কিছু মৌলিক বিষয়ের সমাধান না হলে এনসিপি এবং জামাত ভোটে অংশ গ্রহণ করবে না।আর তারা যদি অংশ গ্রহন না করে তাহলে এই নির্বাচন বৈধ হবে না।ইউনূসের প্রশ্ন হল অবৈধ নির্বাচন করিয়ে কি কোন লাভ আছে, তাই নির্বাচনের কোন প্রয়োজন নেই। অতয়েব ছাত্রনেতা নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী যেটি বলেছেন যে ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচান হচ্ছে না সেটিই ঠিক।












Discussion about this post