বাংলাদেশের রাজ্য রাজনীতিতে হাদি হত্যাকাণ্ড এক নতুন অশান্তির সূচনা হয়েছে। বরাবর ভারতবিদ্বেষী ঠোঁট কাটা নেতা বলেই হাদি পরিচিত ছিলেন। দিনে দুপুরে অজ্ঞাত পরিচয় রাস্তার উপরে হাদির হত্যা অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এদিকে আবার প্রধান উপদেষ্টা সুকৌশলে ভারতের আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ক্রিয়া কর্ম বলে চালাতে চেয়েছিলেন বারংবার। এবং তিনি তার এক বিবৃতিতে হাদি হত্যা দুষ্কৃতীরা গোপনে ভারতে চলে গেছে বলেও দাবি করেছিলেন। কিন্তু একটি ভয়ংকর অডিও বার্তা ইউনূসের সেই মিথ্যাচারের মুখোশ খুলে দিল। তারপরেই বাংলাদেশের বর্তমান অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে উসমান হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন রহস্য। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের প্রশাসনের জন্য এই ঘটনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবং আতঙ্কে ডুবেছে স্বয়ং ইউনূস সাহেব।একদিকে যেমন ভারতের সাথে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে, অন্যদিকে এই হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্তের বয়ান বাংলাদেশ প্রশাসনের বলা ভালো ইউনূস প্রশাসনের দাবিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে।উসমান হাদি ছিলেন ভারত-বিরোধী ভাবধারার একজন নেতা। বাংলাদেশ পুলিশের দাবি ছিল, হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন। কিন্তু সেই দাবি নস্যাৎ করে দিলেন স্বয়ং আততায়ী মাসুদ নিজেই একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে দিয়ে। সাংবাদিক সালাহউদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর শেয়ার করা ওই ভিডিওতে মাসুদ দাবি করে বলেন-তিনি বর্তমানে দুবাইয়ে অবস্থান করছেন এবং ভারতে প্রবেশ করেননি। এবং তিনি এও জানিয়েছেন মোঃ ইউনুসের প্রশাসন যে ভারতের উপর দায় চাপাচ্ছে তা সম্পন্ন ভিত্তিহীন
নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তিনি আরও বলেন, তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসানো হচ্ছে।
হাদির সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল। আইটি কন্টাক্ট পাওয়ার জন্য তিনি হাদিকে ৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন, কিন্তু কোনো বিরোধ ছিল না।
মাসুদ আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, উসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে জামায়াত-শিবিরের হাত থাকতে পারে। আর এতেই যত রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশে। তাহলে কেন হত্যা হতে হল হাদীকে কারাইবা হাদীকে হত্যা করল নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে এই ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি। উল্লেখ্য, উসমান হাদি ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ছিলেন। ঢাকায় একটি মসজিদ থেকে বেরোনোর সময় তাঁকে গুলি করা হয় প্রথমে ঢাকার হাসপাতাল এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স করে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। এবং সিঙ্গাপুর হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের পর তাঁর শেষকৃত্যে ভারত সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এবং তিনি ঢাকায় শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন। শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া নিয়ে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে যখন কূটনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে, তখন জয়শঙ্করের এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এরই মাঝে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা উসমান হাদি হত্যাকাণ্ড বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলেছে।উসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পর সৃষ্ট সহিংসতা এবং অভিযুক্তের নতুন দাবি যার ফলে প্রবল চাপে মুহম্মদ ইউনূসের অন্তবর্তী সরকার। তার এই ভাইরাল হওয়া ভিডিও বার্তা ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। এখন দেখার ভারতের উপর দোষ চাপানো ইউনুস নিজের মুখ রক্ষা করতে কোন পথ অবলম্বন করেন।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post