ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক যে একপ্রকার শেষ তা নিয়ে আর কোনো সংশয় নেই। তারই মধ্যে ভারতবিদ্বেষ দেখাতে গিয়ে ইউনূসের কর্মকাণ্ড বারংবার ভারতের রাজধানী দিল্লির চোখে পড়েছে। তারই মধ্যে সদ্য ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে দল সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের যাতে করে আবারো ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতি চোখে পড়ার মতন। আর এরই মধ্যে বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে ভারতের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী আদানি গ্রুপ।আদানি গোষ্ঠী বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে অনেক বছর ধরেই। আর সেই কারণেই প্রচুর টাকা বকেয়া পড়েছে। বার বার বলা সত্ত্বেও টাকা শোধ করছে না বাংলাদেশের ইউনূস সরকার। এবার ইউনূসের বাংলাদেশে আদানি গোষ্ঠী বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করতে চলেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রথম সারির সংবাদ মাধ্যম ‘প্রথম আলোর’একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৯ জানুয়ারি পিডিবি-র চেয়ারম্যানকে এই বকেয়া-সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছেন ভারতের ব্যবসায়ী আদানি পাওয়ার লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট অবিনাশ অনুরাগ।তাতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ১১ কোটি ২৭ লক্ষ মার্কিন ডলার যা ভারতীয় মুদ্রায় ১ হাজার কোটি টাকার বেশি, সেই পর্যাপ্ত অর্থ দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। এই মোট অঙ্কের মধ্যে গতবছরের জুন পর্যন্ত বকেয়া বাবদ ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৩২ লক্ষ মার্কিন ডলার। পাশাপাশি, অক্টোবর পর্যন্ত বিদ্যুৎ পরিষেবা প্রদানের জন্য ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৯৬ লক্ষ ডলার। এই অঙ্ক নিয়ে একাধিকবার বাংলাদেশ ইউনূস সরকারকে বারংবার তাগাদা দেওয়া হলেও, তা পরিশোধ করতে পারেনি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বোর্ড। তাই চিঠিতে কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে আদানি গোষ্ঠী জানিয়ে দিয়েছে, বকেয়া বাড়তে থাকা বিদ্যুৎ উৎপাদন ধরে রাখতে নানাবিধ চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। তাই বকেয়া না-পেলে বিদ্যুৎ সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত অংশীদারদের চাপে পড়তে হতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই ভারত থেকে যদি বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয় তাহলেই অন্ধকারে ঢুকবে বাংলাদেশ এই পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে দাঁড়িয়ে গতবছরও বকেয়া পরিশোধের জন্য এমনই একটি চিঠি দিয়েছিল আদানি গোষ্ঠী। পিডিবিক ১০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল তাঁরা। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল, টাকা না-মিললে ১১ নভেম্বর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে। তাই সেই মাসে আদানিকে ১০ কোটি মার্কিন ডলার দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ডিসেম্বর থেকে সেই বকেয়া আবার বাড়তে শুরু করে। অন্যদিকে পুরনো বকেয়াও সম্পূর্ণ পরিশোধ হয়নি। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের অবস্থা কার্যত ভাঁড়ে মা ভবানী। এখন এই পরিস্থিতির মধ্যে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের আলো অন্ধকারের খেলা পুরোটাই ভারতের হাতে। ভারত চাইলেই ভারতের ব্যবসায়ী আদানি গ্রুপকে দিয়ে বাংলাদেশকে এক মিনিটের মধ্যেই অন্ধকারে ফেলে দিতে পারে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post