বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। এমনকি প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস পালিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজছেন বলে খবর। কারণ তিনি বুঝে গিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আন্দোলন তৈরি হতে পারে। সেই কারণেই খলিলুর রহমানকে বিশ্বের সমস্ত কূটনীতিকের কাছে পাঠিয়েছেন। তিনি প্রথমে গিয়েছিলেন, কাতারের দোহাতে। দোহা রাজি হয়নি। কারণ তাদের সঙ্গে ভারতের ১০ বিলিয়ন চুক্তি রয়েছে। যেটা করার জন্য কাতারের আমির ছুটে এসেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে। ফলে এত বড় চুক্তিতে ভারতকে চটাতে চায় না কাতার। এরপর খলিলুর যান, ওয়াশিংটনে। এমনকি আরও কয়েকটি জায়গায় গেছেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে যে সমস্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের অ্যাম্বাসেডর রয়েছে, তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে খবর। এমনকি ফ্রান্সের অ্যাম্বাসেডের কেউ ধরা হয়েছিল বলে খবর। কিন্তু কাউকেই রাজি করাতে পারেনি ইউনূসের দেশ। ফলে ইউনূসের পালানোর দুটি পথ। একটি পাকিস্তান এবং অপরটি টার্কি। সেই প্রচেষ্টাও যেকোনো মুহূর্তেই ব্যর্থ হবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
অনেকে বলছেন, শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের পালানোর পথ ছিল ভারতে। কারণ ভারতের সঙ্গে সেই সম্পর্ক বজায় রেখেছিল শেখ হাসিনা। কিন্তু কি করবেন মহম্মদ ইউনূস এবং তার দোসররা?
বাংলাদেশে নির্বাচন নিয়ে বহুদিন ধরে টালবাহানা চলছে। বিভিন্ন সময় সরকার চাপে পড়ে নির্বাচন ঘোষণা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি রয়ে গিয়েছে প্রতিশ্রুতিতেই। এদিকে সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছেন, তাদেরকে বোকা বানাচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তারা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকে যাওয়ার বাসনা করছেন। এমনকি বুঝে গিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। বিএনপি-র এক উপদেষ্টা সম্প্রতি জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন না হলে, এই সরকারের পতন ঘটবে। দেশে আন্দোলন তৈরি হবে ইউনুসের বিরুদ্ধে। ফলে বলাই বাহুল্য, বিএনপি সেই আন্দোলন তৈরি করবে।
এদিকে ৫ ই আগস্ট আসন্ন। সেই দিনই শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটেছিল গত বছর। এদিকে ইউনূসের কাছে খবর রয়েছে, আওয়ামী লীগ সেই দিনটিকে ঘিরে কোনও পরিকল্পনা করছে। সেই কারণে দেশের জরুরি অবস্থা জারি করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
এই পরিস্থিতিতে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, যদি নির্বাচন ঘোষণা করা হয়ও চাপে পড়ে, তবে শান্তিপূর্ণভাবে হবে কিনা সেটা নিয়ে বিস্তর সন্দেহ রয়েছে। কারণ ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে তৈরি হলে, আমেরিকা শান্তি রক্ষা বাহিনী পাঠিয়ে দেবে। আর যে দেশের শান্তিরক্ষা বাহিনী পাঠানো হয়, সেই দেশের মূল্য বিশ্ব দরবারে কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেটা একটু গবেষণা করলেই বোঝা যায়। ফলে চতুর্দিকে চাপে পড়ে খারাপ পরিস্থিতি ইউনূসের। আর সেই কারণেই সে দেশের বহু অর্থনীতিবিদ থেকে রাজনৈতিক বিদ বলছেন, এক্সিট রুট খোঁজার সময় এসে গিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের।












Discussion about this post