বিএসএফের তরফে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো হয়েছে। সে তথ্য বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের সাতটি রাজ্যের সুরক্ষার ক্ষেত্রে জটিল হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। তথ্যে বলা হয়েছে, শেষ কয়েক মাসে ১১৬ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এমনকি ওই নির্দিষ্ট জায়গাতে ৩৩ টি অপারেশন চালিয়েছে বিএসএফ। প্রশ্ন উঠে এখানেই, কেন সেভেন সিস্টার্সকে টার্গেট করছে বাংলাদেশ? এমনকি বিএসএফের তথ্যে বলা হয়েছে, শেষ কয়েকটি মাসে চোরা চালানকারী বেড়ে গিয়েছে। যেগুলো লাগাম টানতে বিএসএফকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এমনকি বলা হয়েছে, ৬২২টি গরু পাচার আটকানো গেছে। এমনকি, গরু এবং সোনা রূপো পাচারকারী থেকে নিশাজাত দ্রব্য পাচারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সবটাই রুখে দিয়েছে বিএসএফ। তারা সেভেন সিস্টার্স নিয়ে অত্যন্ত বেশি সংবেদনশীল এবং সচেতন। শুধু তাই নয়, দেশের সুরক্ষার ক্ষেত্রে অজিত দোভাল যে যে নির্দেশ দিচ্ছেন, সবটাই পালন করছে বিএসএফ। এবং ইউনূসের সমস্ত ষড়যন্ত্র বানচাল করছে ভারত।
অন্যদিকে নদীয়া সীমান্তে একটি চোরাচালানকারীকে ধরেছিল বিএসএফ। তার থেকে উদ্ধার হয়েছে ৪৪০ গ্রাম সোনা। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৪৪ লক্ষ টাকা। ওয়াকিবহুল মহল বলছে, বিএসএফ অনুপ্রবেশ রোখার চেষ্টা করছে। কিন্তু বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অনুপ্রবেশ নিয়ে মানতেই নারাজ। এমনকি বিজিবি অনুপ্রবেশ এই দেশে পাঠানোর জন্য সাহায্য করছে বলে অভিযোগ উঠে আসছে।
অন্যদিকে ৫ হাজার ৪৮৪ কিলোমিটার সীমান্ত উত্তর পূর্ব এ সাতটি রাজ্য চারটি দেশের সঙ্গে ভাগ করে। ভুটান, চিন, বাংলাদেশ, মায়ানমার। তবে সম্প্রতি এই সীমান্তে যে পরিস্থিতি চলছে, সেটা বলা হচ্ছে ভারত পাকিস্তান সীমান্তের থেকেও ভয়ানক। কারণ চিনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এখন খুব একটা ভালো নয়। ইতিমধ্যে চীন উত্তর পর্বের কিছু অংশ নিজেদের বলে দাবি করে। তবে এই নিয়ে স
চীন সরাসরি যুদ্ধ করেনি ভারতের সঙ্গে। তবে ওই অঞ্চলে বেশকিছু বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জন্ম দিয়েছে চিন। এমনকি ভারত বিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে চীন। সেই কারণেই ওই জায়গাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর।
অন্যদিকে মায়ানমারের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত খারাপ জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। এমনকি তথ্য বলছে, ৬০ হাজার রিফিউজি মনিপুর, মিজোরাম, এবং নাগাল্যান্ডে অবস্থান করছে। মায়ানমারে যে রোহিঙ্গা সমস্যা, সেটা ভারতেও তৈরি করছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম অঞ্চল এবং তার সঙ্গে ত্রিপুরা। এবং উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের বেশ কিছু জায়গায় বাংলাদেশের অস্তিত্ব রয়ে গিয়েছে। এই জায়গা থেকে উত্তর-পূর্ব অঞ্চলকে তারা টার্গেট করছে। তারা বিভিন্ন রকম বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে সাহায্য করছে এবং সমর্থন করে।
এই জায়গা থেকেই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত পাকিস্তান সীমান্ত এলাকা থেকেও উত্তর-পূর্ব অঞ্চল অনেক বেশি স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে। তবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে সঙ্গে মায়ানমার চীনকে মোকাবিলা করছে ভারতীয় সেনা তথা ভারত সরকার।












Discussion about this post