আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। আসন্ন ৫ই অগাষ্ট। গত বছর ওই দিনই শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটেছিল। এদিকে মহম্মদ ইউনূস আতঙ্কে রয়েছেন। কারণ তার কাছে খবর, ওই দিন টিকে ঘিরে কিছু একটা পরিকল্পনা করছে আওয়ামী লীগ। যেটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং মহম্মদ ইউনূসের জন্য মোটেই সুখকর নয়। আর তাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তরফে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। কিন্তু এরপরও আওয়ামী লীগকে আটকানো যাচ্ছে না। আর একটি নিদর্শন পাওয়া গেল। জানা যাচ্ছে, নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি জাহাজে করে কয়ালা আসছিল। সেটি যাচ্ছিল ঢাকা। সেই জাহাজে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, এটি হল শুরু। এরপর অন্তর্ঘাত শুরু হতে পারে।
এমনিতেই দেশে ইউনূসের বিরুদ্ধে আন্দোলন তৈরি হচ্ছে। প্রতিবাদ হচ্ছে। আর এতে বিপদে পড়ছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তাই প্রধান উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে একাধিক রাষ্ট্রে পাঠাচ্ছেন আশ্রযের জন্য। কিন্তু কোনও রাষ্ট্রই নাকি রাজি হয়নি। অর্থাৎ শেখ হাসিনার যেমন ভারত ছিল, মহম্মদ ইউনূস এবং তার উপদেষ্টামণ্ডলীর কেউ নেই। এদিকে বাংলাদেশের বহু অর্থনীতিবিদ বলছেন, সরকারের উচিত পালানোর পথ। ফলে বোঝাই যায়, কি পরিস্থিতি তৈরি করেছেন গোটা দেশে।
বাংলাদেশে নির্বাচন নিয়ে বহুদিন ধরে টালবাহানা চলছে। বিভিন্ন সময় সরকার চাপে পড়ে নির্বাচন ঘোষণা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি রয়ে গিয়েছে প্রতিশ্রুতিতেই। এদিকে সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছেন, তাদেরকে বোকা বানাচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তারা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকে যাওয়ার বাসনা করছেন। এমনকি বুঝে গিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো। বিএনপি-র এক উপদেষ্টা সম্প্রতি জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন না হলে, এই সরকারের পতন ঘটবে। দেশে আন্দোলন তৈরি হবে ইউনুসের বিরুদ্ধে। ফলে বলাই বাহুল্য, বিএনপি সেই আন্দোলন তৈরি করবে।
এদিকে ৫ ই আগস্ট আসন্ন। সেই দিনই শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটেছিল গত বছর। এদিকে ইউনূসের কাছে খবর রয়েছে, আওয়ামী লীগ সেই দিনটিকে ঘিরে কোনও পরিকল্পনা করছে। সেই কারণে দেশের জরুরি অবস্থা জারি করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই পরিস্থিতিতে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, যদি নির্বাচন ঘোষণা করা হয়ও চাপে পড়ে, তবে শান্তিপূর্ণভাবে হবে কিনা সেটা নিয়ে বিস্তর সন্দেহ রয়েছে। কারণ ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি এখনই হাতের বাইরে। এবার আরও পরিস্থিতি ঘোলাটে তৈরি হবে।












Discussion about this post