ড. মহম্মদ ইউনূসের যুক্তরাষ্ট্র সফরের সঙ্গী হবেন ফকরুল তাহেররা। তদারকি সরকারের প্রধান যদি মনে করেন, এরা তাঁকে বাঁচাতে পারবে, তাহলে মূর্খের স্বর্গে তাঁরা বাস করবেন। মহম্মদ ইউনূস কবে যাবেন, তা এখনও সরকারিভাবে জানানো হয়নি। ২১ সেপ্টেম্বর বা ২২ সেপ্টেম্বর তাঁর রওনা হওয়ার কথা। তার আগে একটি ভিডিও ফাঁস হয়েছে। (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি নিউজ বর্তমান)। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখে গিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের রাস্তায় দা বঁটি, কাঠারি নিয়ে নেমে পড়েছে ছাত্রলীগ।
ইতিমধ্যে হাসিনা তাঁর নেতাকর্মীদের বার্তা দিয়েছেন। তাদের উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যার বার্তা – হঠাও ইউনূস, বাঁচাও দেশ। হাসিনার এই নির্দেশের খবর দিয়েছেন দলের প্রবীণ নেতা মির্জা ফকরুল আলমগীর। তিনি বলেন, ‘হাসিনা আমাদের বলেছেন, হঠাও ইউনূস, বাঁচাও দেশ এই স্লোগান নিয়ে জাতিসঙ্ঘের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচির নির্দেশ দিয়েছেন। বিক্ষোভ-কর্মসূচি শুরু হবে জেএফকে বিমানবন্দরের সামনে থেকে। ’
আলমগীর বলেন, ‘আমরা কল্পনাও করতে পারিনি একজন নোবেল বিজয়ী দেশটাকে এই জায়গায় নিয়ে যাবেন। আমাদের পাশেই নেপাল। সেখানে সরকারের পতন হয়েছে। একটি তদারকি সরকার দেশ শাসনের ভার হাতে তুলে নিয়েই ভোটের দিন তারিখ জানিয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি একেবারে শান্ত। ছাত্র-পড়ুয়ারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে গিয়েছে। কোনও মব নেই, কোনও চাঁদাবাজি নেই, খুন-খারাপি নেই। মাজারে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা নেই। আর বাংলাদেশ কী দেখলাম? বাংলাদেশে দেখলাম চূড়ান্ত নৈরাজ্য। এরা কল্পনাতীত অপরাধ করছে। এই সরকার তাদের এই কাজের জন্য মানুষের মনে যে জায়গা করে নিয়েছে তাতে তার বিচার হবে। ’
আলমগীরের কথায়, ‘এই সরকার পারতেন। বিচারপতি শাহাবুদ্দিন ৯০ দিনের ভিতরে নির্বাচন দিয়েছিলেন। বিচারপতি হাবিবুর রহমান ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন দিয়েছিলেন। এদের এতদিন কেন লাগছে? তারা যদি নিরপেক্ষভাবে দেশ চালাতেন আজকে জুলাই বিপ্লবীরা অনেক সম্মানিত হতেন। কিন্তু তারা সেটা না করে শুধু আসছে গুছিয়ে নিতে।’
আওয়ামী লীগের প্রবীণ এই নেতা বলেন, ‘নেত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যাঁর যা আছে, তাই দিয়ে মাঠে নামুন। ওরা যদি মব করে তোমরা গেরিলা আক্রমণ করবে। মুক্তিযুদ্ধের সময় গেরিলা আক্রমণ হয়েছিল। ইউনূসের পতন ঘটানোর আগ পর্যন্ত তোমাদের আন্দোলন চলবে। তোমরা কেউ ঘরে থাকবে না। যাঁর যা আছে তা নিয়ে নেমে পড়ো। সেই নির্দেশের পর বাংলাদেশে দলের নেতাকর্মীরা রাস্তায় নেমে পড়েছে। ঢাকা শহরে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫টা মিছিল হচ্ছে। কী দিয়ে থামাবে। সরকার বারবার বলছে গ্রেফতার কর। গ্রেফতার কী। দু-একজনকে গ্রেফতার করছে, পরের দিন ছেড়ে দিচ্ছে। পুলিশ আর সেনাবাহিনীও সরকারের পাশে নেই। এর কারণ নুরুল হক নুরুলের মৃত্যু হয়েছে। গোপালগঞ্জের ঘটনার পর মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। তারা আর কোনও নিয়মকানুন মানছে না। পদ্মার ওপারে দু-একদিনের মধ্যে বড় ধরনের একটা আন্দোলন গড়ে উঠবে। হাসিনা যখন নির্দেশ দিয়েছেন, তখন আর দলের নেতাকর্মীদের দাবিয়ে রাখা যাবে না। মারের পাল্টা মার খেতে হবে।’
একটা বিষয় কিন্তু খুব স্পষ্ট। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ কিন্তু ইউনূসের পর খাপ্পা। তারা চায় না এই সরকার আর ক্ষমতায় থাকুক। অনেকে আশঙ্কা করছেন, ইউনূস না আচমকা পদত্যাগ ঘোষণা করেন। সেটা হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। এখন সবার চোখ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post