১৩ তারিখে আওয়ামীলীগের ডাকা লকডাউনে সাড়া জাগিয়েছে বাংলাদেশের আপামর জনগণ। জয়ের হাসি হেসেছেন হাসিনা। হাসিনার এই জয়ের পর অন্তর্বর্তী সরকার ইউনুস সাহেব কি এখনও বুঝতে পারছেন মানুষ তাকে আর অগ্রাধিকার দিচ্ছে না তার ক্ষমতা শেষ হয়ে আসছে শুধু বাংলাদেশের মানুষই ইউনুসকে রিজেক্ট করছে না রিজেক্ট করছে তার আন্তর্জাতিক মিত্র ও কমিউনিটিরাও। ইউনুস রিজেক্ট হয়েছেন সর্বত্র। বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষেরা এই লকডাউনে সামিল হয়ে দেখিয়ে দিয়েছে ইউনুস একজন বিশ্বাসঘাতক। সে বাংলাদেশকে ধ্বংস করে দিয়েছে, সে শত্রু দেশের হাতে বিক্রি করে দিয়েছে বাংলাদেশকে। তাই এবার তার যাওয়ার সময়। ১৩ তারিখ লকডাউনে সাড়া দেওয়াটা বাংলাদেশের মানুষের কাছে একটা ট্রেলার ছিল মাত্র। বাংলাদেশের জনগণ চাইলে আরও অনেক বেশি কিছু করে দেখাতে পারে। সম্প্রতি ইউনূসের জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়াটাই হয়তো হতে পারে শেষ জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণ। কারণ ইউনুসকে কখনও ক্ষমা করবে না বাংলাদেশের মানুষ।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি আওয়ামীলীগকে ছাড়া বাংলাদেশে কখনই কোনও ভোট হবে না। স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি কখনই ক্ষমতা পাবে না। ইউনুস জামাত, বিএনপি, এনসিপি যাকেই ক্ষমতা হস্তান্তর করুক না কেন তারা কেউই বাংলাদেশের ক্ষমতা পাবে না। ঠিক যেমনটা ইউনুস বাংলাদেশের ক্ষমতায় থাকার পরেও তার কোনও ক্ষমতা নেই। বিশ্ব শান্তিতে নোবেল জয়ী ইউনুসের এখন নিজের দেশ তথা বাংলাদেশের মানুষের কাছেই আর কোনও গুরুত্ব নেই। দেশের মানুষের কাছে সম্মান হারিয়েছেন ইউনুস। জঙ্গি লালন – পালন করা ইউনুসকে গোটা বিশ্ব এখন জঙ্গি বলছে। গোটা বিশ্ব নোবেল ম্যান ইউনুসকে নিয়ে হাসাহাসি করছে। গোটা বিশ্বের কাছে এখন অধ্যাপক ইউনুস হাসির পাত্র।
ইউনুস বাংলাদেশকে জঙ্গি দেশ করে তোলার চেষ্টা করেছে। এখন ঢাকা লকডাউন হয়েছে এরপর সারা বাংলাদেশ লকডাউন হবে। এরপর দেখা যাবে হয়ত যমুনাই শাটডাউন হবে। দেশের গাদ্দার বা শত্রুদের হাতে দেশকে তুলে দেওয়া, দেশের সাথে বেইমানি করা, দেশকে ধ্বংস করার পরিণতি অনেক ভয়ঙ্কর হয়। এখনও সময় আছে ইউনুসের কাছে মানে মানে নিজের পদের লোভ ছেড়ে সরে যাওয়ার। নয়তো জোর করে তাকে বাংলাদেশের মানুষ সরিয়ে দেবে। আবারও একটা গণ আন্দোলনের সাক্ষী থাকবে, গণ আন্দোলন দেখবে গোটা বিশ্ব। ইউনুস ও তার সাগরেদরা গত দেড় বছরে যা করেছে বাংলাদেশে তার সিকিভাগ ও বাংলাদেশের মানুষ করলে তাও ইউনুস টিকতে পারবেন না।
ইউনুস বিদেশিদের ক্রীতদাস হলেও বাংলাদেশের মানুষ ইউনুসের ক্রীতদাস হতে চায় না। বাংলাদেশের মানুষ অনেক সচতন। তারা ভালো করে বাঁচতে চায়। পাকিস্তানের সাথে এক হয়ে বাংলাদেশের মানুষ থাকতে চায় না।












Discussion about this post