অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ নিয়ে এবার বিবৃতি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারির তীব্র নিন্দা করলেন তিবি। অবিলম্বে চিন্ময়কৃষ্ণকে মুক্তি দিতে হবে বলে দাবি জানালেন তিনি। বাংলাদেশে মানবাধিকার চরম ভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। আইনজীবী হত্যার ঘটনায় দ্রুত শাস্তির দাবি জানানোর পাশাপাশি, ইউনূস সরকারকেও একহাত নিয়েছেন হাসিনা। বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, ‘প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস হাসিনার বিচারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রসিকিউটর করিম এ খানের সঙ্গে, যিনি তাঁর সরকারি যমুনা বাসভবনে সাক্ষাৎ করেন।’ জানা গিয়েছে সদ্যই ঢাকায় ইউনুসের যমুনার বাসভবনে এ করিম খান সাক্ষাৎ করেন প্রধান উপদেষ্টাকে। এই বৈঠকে করিম খানকে বাংলাদেশ সরকারের তরফে বলা হয়, ঢাকা চাইছে শেখ হাসিনা ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ নিয়ে এই মামলায় এগোতে, যে গণহত্যার অভিযোগ হাসিনার বিরুদ্ধে রয়েছে তা সেদেশে জুলাই-অগস্ট মাসে ঘটে ছাত্র আন্দোলন ঘিরে। এছাড়াও ১৫ বছর শাসনে হাসিনা সরকার অনেককেই জোর করে গুম করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে, তা নিয়েও বিচারের আঙিনায় ঢাকা যেতে চাইছে বলে খবর। এরই মধ্যে হাসিনা যে বিবৃতি প্রকাশ করেছেন, তাতে বলা হয়, ‘চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যার তীব্র নিন্দা করছি আমি। এই নৃশংস অপরাধের জন্য দায়ী যাঁরা, তাঁদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে শাস্তি দিতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে মানবাধিকার চরম ভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। একজন আইনজীবী তাঁর পেশাগত দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন, তাঁকে যারা পিটিয়ে মারল, তারা সন্ত্রাসবাদীর তুলনায় কিছু কম নয়। তারা যে-ই হোক না কেন, শাস্তি দিতে হবে। ইউনূসের অসাংবিধানিক এই সরকার যদি দোষীদের শাস্তি দিতে ব্যর্থ হয়, তাদের ঘাড়েও মানবাধিকার রক্ষা করতে না পারার দায় বর্তাবে। বাংলাদেশের মানুষের কাছে আর্জি, সন্ত্রাসবাদ এবং উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান শাসক বেআইনি ভাবে ক্ষমতা দখল করেছে, এবং এখনও পর্যন্ত প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়েছে। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি থেকে নাগরিক সুরক্ষা, সবেতে ব্যর্থ তারা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে সাধারণ মানুষের উপ যে দমননীতি প্রয়োগ করা হচ্ছে, তার তীব্র নিন্দা করছি আমি’। এই পুরো ঘটনায় আমেরিকাকে পাশে পাচ্ছে শেখ হাসিনা। সম্প্রতি রিপাবলিকান নেতার জয়ে ভারত থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করেছিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ এক রিপাবলিকান নেতা এক টিভি চ্যানেলকে বলেছেন, হ্যাঁ, ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ফোন এসেছিল। কথা হয়েছে। গতকাল ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পরই তাঁকে চিঠি লিখে অভিনন্দন জানান শেখ হাসিনা। সেই চিঠি ই-মেলে ট্রাম্পের দফতরে পাঠানো হয়। চিঠিতে হাসিনা লিখেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের তরফে আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। পরে আওয়ামী লিগের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেটি পোস্ট করা হয়। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে হাসিনাকে সরাসরি সমর্থন করছে ট্রাম্প। উল্লেখ্য, ইন্টারনাল ক্রাইম ট্রাইবুনাল এঅফ বাংলাদেশে হাসিনার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলছে। শুধু শেখ হাসিনাই নন, তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদে বিরুদ্ধেও চলছে মামলা। তাঁদের অনেকেই এখন জেলবন্দি, কিম্বা পলাতক। এদিকে, ইন্টারপোলের মাধ্যমে ভারত থেকে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে বিচারের আঙিনায় দাঁড় করাতে চাইছে ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post