সাম্প্রদায়িক হানাহানির বিষবাষ্পে জ্বলছে বাংলাদেশ। গোটা বিশ্বের দরবার নাক কাটলেও ভারত বিদ্বেষ থামছে না বাংলাদেশের। রণহুঙ্কার দিয়েই চলেছেন বাংলাদেশের কট্টরপন্থী নেতারা। আরাকান আর্মির ভয়ে ঘুম উড়েছে ঢাকার। ইউনুস সরকারের মাথাব্যথার নতুন কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই আরাকান আর্মি। ইতিমধ্যে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের প্রায় নব্বই ভাগ এলাকা এখন এই আর্মির নিয়ন্ত্রণে। মায়ানমারের সেনাবাহিনী বর্তমানে সেখানের সেনা সদর দফতর কোনওমতে রক্ষা করছে। মায়ানমারের সেনাবাহিনীর দশা এখন কার্যত কোণঠাসা। তাতেই বিপদ বাড়ছে বাংলাদেশের। কারণ রাখাইন প্রদেশের ২৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে, যা এখন আরাকান আর্মির অধীনে। এই পরিস্থিতিতে রাখাইন প্রদেশে গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রাখাইনের এই সরগরম পরিস্থিতি বাংলাদেশ ও ভারতের জন্য নতুন বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এখন ঢাকা ও নয়াদিল্লি উভয়েই আশঙ্কা করছে যে, যদি আরাকান আর্মি পুরো রাখাইন প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়, তবে সেখানকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে দেশছাড়া করার চেষ্টা হতে পারে। এর ফলে, প্রাণ বাঁচাতে রোহিঙ্গারা নতুন করে বাংলাদেশ ও ভারতে ঢুকতে পারে। নাফ নদীর উপর আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণ স্থাপিত হওয়ায় বাংলাদেশে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের সঙ্গে যাতায়াত কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এই নদী দিয়ে সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষ এবং প্রশাসনিক কর্মীরা চলাচল করতেন। পরিস্থিতি এমন যে, গত তিনদিন ধরে এই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বর্তমানে মায়ানমারে চলমান যুদ্ধের আবহে বারবার উঠে এসেছে রাখাইনের মতো রাজ্যের নাম। সেখানেই বিদ্রোহী গোষ্ঠী হিসাবে উঠে এসেছে এই আরাকান আর্মি। বর্তমানে দেশের মংডু শহরের নিয়ন্ত্রণও তাঁদের হাতে। ফলে বাংলাদেশ-মায়ানমারের প্রায় পৌনে ৩০০ কিলোমিটার সীমানা পুরোটাই এখন আরাকান আর্মির দখলে চলে গিয়েছে বলে দাবি করছে মায়ানমারের একাধিক সংবাদমাধ্যম। বাংলাদেশ-মায়ানমারের সীমান্তবর্তী নাফ নদীর মায়ানমার অংশে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আরাকান আর্মি। আরাকান আর্মির এই ঘোষণার পর নাফ নদীতে নৌ চলাচলে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে বাংলাদেশের তরফে। নজরদারি বাড়িয়েছে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী। এদিকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরগরম পরিস্থিতি বাংলাদেশ ও ভারতের জন্য নতুন বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এখন ঢাকা ও নয়াদিল্লি উভয়েই আশঙ্কা করছে যে, যদি আরাকান আর্মি পুরো রাখাইন প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়, তবে সেখানকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে দেশছাড়া করার চেষ্টা হতে পারে। এর ফলে, প্রাণ বাঁচাতে রোহিঙ্গারা নতুন করে বাংলাদেশ ও ভারতে ঢুকতে পারে। সেটাই এখন দিল্লি ও ঢাকার কাছে চিন্তার। আবার আরাকান আর্মি নাফ নদীতে নৌ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। সীমান্তের এই নদী দিয়েই বাংলাদেশের প্রশাসনের লোকজন এবং সাধারণ নাগরিকেরা সেন্ট মার্টিন দ্বীপে যাতায়াত করে থাকে। গত তিনদিন ধরে এই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সেই কারণে এখন আরাকান আর্মির কারণে বিরাট চাপে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী মায়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে। বাড়ানো হয়েছে নজরদারি, দিনরাত চলছে টহল।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post