ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের এক অভূতপূর্ব ঘটনায়, বাংলাদেশের এক অবসরপ্রাপ্ত সামরিক জওয়ান ভারতীয় সেনা এবং ভারত সরকারের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। একটি ভাইরাল ভিডিওতে তিনি দাবি করেছেন, “আমরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত এবং কলকাতা, আসাম, দিল্লি দখল করতে পারি।” এই মন্তব্য ঘিরে ভারতজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ভিডিওতে ওই অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা, যাঁর নাম এখনও প্রকাশ্যে আসেনি, দাবি করেছেন যে বাংলাদেশের সেনা এবং নাগরিকেরা নাকি “যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।” তাঁর দাবি, “ভারতীয় মিডিয়া দ্বারা প্রচারিত হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের সমস্ত খবর মিথ্যা এবং প্রচারণামূলক।” এই বক্তব্য শুধু ভারতীয় হিন্দুদেরই নয়, বরং সাধারণ জনগণের মধ্যেও গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ইউনূসের বাংলাদেশে ভারত-বিদ্বেষের বিষ, এবার হুমকি ওপারের অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্তাদের। ভারত বিরোধিতায় সুর চড়াল বাংলাদেশ সেনার অবসরপ্রাপ্ত কর্তাদের একাংশ। হিন্দুদের ওপর হামলার মধ্যেই ভারতের বিরোধিতায় ঢাকায় মিছিল। ঢাকায় প্রাক্তন সেনাকর্মীদের মিছিলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান। এ কোন বাংলাদেশ? ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা? এদিকে, নৈরাজ্যের বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন চলছেই। এবার বাড়িতে ঢুকে খুন করা হল সনাতন জাগরণ মঞ্চের এক নেতার মা-কে। নিপীড়নের লাইভস্ট্রিমিং করায় গ্রেফতার করা হল এক হিন্দু যুবককে। চলল মন্দিরে ভাঙচুর। নিজের দেশেই সমালোচনার মুখে ইউনূস সরকার। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে মাথায় সেই দেশের পতাকার রঙের টুপি পরা এক ব্যক্তি বলেন, ‘সামরিক বাহিনী, ছাত্র-জনতা আমরা একত্রিত আছি। রাওয়ায় ৫,০০০ সদস্য আছি। তাঁদের মধ্যে অর্ধেকই নবীন। আমরা ২,৫০০ জন যুদ্ধে মাঠে যেতে পারি। এর সঙ্গে যদি ৩০ লাখ ছাত্র-জনতা যোগ হয়,তাহলে ভারত তো দূরের কথা, আমেরিকাও আমাদের সঙ্গে টিকবে না, ইনশাল্লাহ।’ তাঁর সেই কথা শেষ হওয়ার আগেই পাশ থেকে নিজেকে বাংলাদেশ সেনার প্রাক্তন সদস্য দাবি করা এক ব্যক্তি আবার কলকাতা দখলের হুমকি দিয়ে বসেন। ওই সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, রীতিমতো উত্তেজিত হয়ে ওই বৃদ্ধ বলেন যে ‘আমি মেজর শরিফ। আমি বলে দিচ্ছি ভারতকে যে ট্রেনিং আমরা নিয়েছি, যে যুদ্ধ আমরা করেছি….আমরা দু’লাখ সৈনিক। আমাদের সঙ্গে ১৮ কোটি জনগণ আছে। আমাদের ট্রেনিং, আমাদের দক্ষতা ভারতের থেকে অনেক বেশি। আমরা একবার সাহস করে….আমাদের দেশকে যুদ্ধ….আমরা চারদিনের মধ্যে কলকাতা দখল করে নেব।’ বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে দূরত্ব তৈরিতে লাভের গুড় খাচ্ছে অন্য দেশ। প্রতি বছর বহু বাংলাদেশি চিকিৎসার জন্য আসেন ভারতে। সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে টানাপড়েন চলায় ভারতে আসতে বাধা পাচ্ছেন প্রচুর বাংলাদেশি। ভিসা না পাওয়ার সঙ্গেই জুড়েছে ভারতের চিকিৎসক, হোটেল মালিক এবং হাসপাতালের বাংলাদেশিদের বয়কটের সিদ্ধান্ত। এবার এই ইস্যুতে রাজ্য বিধানসভায় বাংলাদেশ নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি এদিন বলেন, “কেউ কেউ বলছে কলকাতা দখল করবে। বিহার দখল করবে বলছে কেউ কেউ। যাঁরা বলছেন আপনারা ভালো থাকবেন, আমরা চুপ থাকব ভাবার কারণ নেই। আমরা চাই হিংসা নয়, শান্তি ফিরুক। আশা করি বৈঠকে সমাধান সূত্র উঠে আসবে। এমন কিছু করবেন না যাতে হিংসা বাড়ে। সবাই সংযত আচরণ করুন।” এদিকে বাংলাদেশ ইস্যুতে সোমবারই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করেছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post