রাজনৈতিক মহলে এখন একটাই চর্চার বিষয়, তা হল ডোনাল্ড ট্রাম্প মোদিকে ফোন করেছিলেন। দুজনের মধ্যে কি কথা হয়েছে, তা নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে টেলিফোনিক কথাবার্তা নিয়ে মোদি একটি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, খুব সুন্দর একটি কথোপকথন হল। আমরা একসঙ্গে বিশ্বের শান্তি বজায় রাখতে, দেশের জনকল্যাণে এবং দেশে নিরাপত্তায় কাজ করব। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, আমেরিকা এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্ক ঠিক কোন জায়গায় পৌঁছেছে।
তবে এখন খবর উঠে আসছ, ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বৈঠক হতে পারে। যা আমেরিকাতেই একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হবে। তবে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বাংলাদেশ নিয়ে নানা প্রসঙ্গ ওঠে বলে খবর উঠে আসছে। তবে নির্দিষ্ট করে কি নিয়ে কথা হয়েছে তা এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে মনে করা হচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নরেন্দ্র মোদি মিলে হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যপণ করাবেন।
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরই অভিবাসন নীতি নিয়ে কড়াকরি করেছেন। বেআইনিভাবে যারা আমেরিকায় বসবাস করছেন, তাদের বিরুদ্ধে করা পদক্ষেপ করবেন ডোনাল্ড ট্রাম। এখনো পর্যন্ত সূত্র মারফত খবর, ভারতের প্রায় ১৮ হাজার নাগরিক অবৈধভাবে আমেরিকায় বসবাস করছেন। এই নিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, যদি আঠারো হাজার ভারতীয় নাগরিক অবৈধভাবে আমেরিকায় বসবাস করে থাকেন, আর আমেরিকা যদি তাদের ফেরত পাঠিয়ে দেয়, আমরা তাদের গ্রহণ করব। কিন্তু তার সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, এটা আমেরিকা কে প্রমাণ করতে হবে, যে তারা অবৈধ। অর্থাৎ ভারত বলতে চাইছে, এদের মধ্যে অনেকে বাংলাদেশী বা পাকিস্তানি। যারা ভারতীয় সেজে আমেরিকায় বসবাস করতে পারেন।
তবে এখন প্রশ্ন উঠছে, ফেব্রুয়ারিতে মোদি এবং ট্রাম্পের মধ্যে যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, সেখানে কি অভিবাসন নীতি নিয়ে প্রসঙ্গ উঠবে? আর সেখানে এই প্রসঙ্গ উঠার পর, ভারতের স্ট্যান্ড পয়েন্ট কি থাকবে? যদিও আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। আর এতে বিপাকে পড়তে পারে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান।












Discussion about this post