আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এখন একটাই বিষয় উঠে আসছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ফোন করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। গোটা বিশ্বের শান্তি বিষয়ক, এবং নিরাপত্তা ক্ষেত্রে বেশ কিছু কথাবার্তা হয়েছে দুই দেশের রাষ্ট্রনায়কের মধ্যে। পাশাপাশি যৌথভাবে কাজ করার উদ্যোগও নেয়া হবে বলে খবর রয়েছে। এর মধ্যে আরো একটি বিষয় উঠে আসছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সফরে যাবেন নরেন্দ্র মোদি। সেখানে বৈঠক হতে পারে ট্রাম্পের সঙ্গে। সূত্রের খবর, এই সফরে সন্ত্রাস এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুই রাষ্ট্র প্রধানের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। এমনকি দুই দেশের মধ্যে একাধিক সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। এরপরে খবর রয়েছে, মার্চ মাসে ভারত সফরে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেই আবহে, একগুচ্ছ সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ারও উপায় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারত আমেরিকা যখন কাছাকাছি হওয়ার জায়গায় রয়েছে, তখন অশান্তির আগুনে জ্বলছে পাকিস্তান। জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে বোমা বিস্ফোরণ ঘটেছে। যা নিয়ে প্রবল সমস্যায় জর্জরিত পাকিস্তান। আর সেই পাকিস্তানের সঙ্গে ব্যবসা করার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ।
জানা যাচ্ছে, গত ২২, জানুয়ারি ঢাকার গুলশুনে আই এস আই এর কর্তার সঙ্গে বৈঠক করেন জাতীয় পার্টির নেতা। সেই বৈঠকে, ইউনূসকে দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে খবর উঠে আসে। আরও জানা যাচ্ছে, এই বৈঠকের পর বাংলাদেশের ৯টি জায়গায় যান আই এস আই এর কর্তারা।
গোপন সূত্রের খবর, বৈঠকে বাংলাদেশকে মৌলবাদের আঁতুড়ঘর পরিণত করার ছক কষা হচ্ছে। পাশাপাশি ওই ৯টি জায়গাতে হুজি এবং জামাতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ৬৭ টি শিবির গড়া হবে বলে খবর।
অন্যদিকে খবর উঠে আসছে, আইএসআই এর মদতে রোহিঙ্গাদের জঙ্গি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। যার জেরে ওই এলাকায় আরাকান আর্মিরা অভিযান চালাতে পারে বলে খবর। ফলে চট্টগ্রাম হাতছাড়া হতে পারে বাংলাদেশের। তার ওপর ট্রাম্প ক্ষমতায় আসতেই বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করছে বাংলাদেশকে। ফলে চারিদিক থেকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রয়েছে ইউনূসের বাংলাদেশ।একদিকে ট্রাম্পের ক্ষোভে ইউনূস, তার উপর দেশের অন্দরে নানা সমস্যা। নাজেহাল মহম্মদ ইউনূসের পরিস্থিতি। দেশ চালাতে ব্যর্থ তিনি, বারবার নানা বিষয়ে প্রমাণিত হচ্ছে। এখন দেখার, আদেও সামলে উঠতে পারে কিনা পদ্মাপাড়ের দেশ।












Discussion about this post