বাংলাদেশ এখন অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এখন গোটা দেশে কি সেনা শাসন জারি হবে? এই প্রশ্ন উঠছে। কারণ বাংলাদেশে সেনা বিদ্রোহ অতীতে বহুবার হয়েছে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে সেনা বিদ্রোহ হয়েছে। তারপরই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু নিহত হয়েছেন। সম্প্রতি, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর উঠে আসছে, বাংলাদেশের যা পরিস্থিতি তাতে যেকোনও মুহূর্তে সেনাদের দখলে চলে যেতে পারে গোটা দেশ। এদিকে ভারতের এই পড়শী দেশের গণতন্ত্র অত্যন্ত ভঙ্গুর। কাজেই সেটা যে হতে পারে, তা বলা যায়।
তবে প্রশ্ন উঠছে, যদি সেনা অভ্যুত্থান হয়, তার মাস্টারমাইন্ড কে? জানা যাচ্ছে, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়জুর রহমান। তিনি অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন সেনাকর্তা। খবর আছে, ফয়জুর রহমান জামাতের ঘনিষ্ঠ। জামাত এদিকে পাকিস্তানপন্থী। শুধুমাত্র ফয়জুর রহমান নয়, এর পিছনে রয়েছে বহু মানুষ। যারা চাইছেন বাংলাদেশে সেনা শাসন জারি হোক। আরও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হোক গোটা দেশে। আর এর স্বীকার হবে সাধারণ মানুষ।
গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যখন গোটা দেশ অরাজকতা সৃষ্টি হয়, তখন সবথেকে সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ। এমনকি প্রবলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে
বলাই যায়, এতে আদতে ক্ষতি দেশের।
দেশে মানুষ এখন পরিষ্কার বুঝতে পারছেন, দেশে দিন দিন বাড়ছে দ্রব্যমূল্য। বেকারতের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে বিদ্বেষ বাড়িয়ে সমস্ত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ। এছাড়াও ইউনূসের আমলেই বেড়ে উঠেছে মৌলবাদী, কট্টরপন্থী সংগঠনগুলি। দেশের অভ্যন্তরে একাধিক সমস্যা। যেগুলিকে লাগাম টানেনি ইউনূস বরং সেগুলিকে বাড়তে
দিয়েছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে যে খবর আসছে, সেনা অভ্যুত্থান দোরগোড়ায় বাংলাদেশে।বাংলাদেশের মানুষ আর চাইছেন না মোহাম্মদ ইউনুসকে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা যাচ্ছে, সাধারণ মানুষ আন্দোলন, বিক্ষোভ করছেন। স্লোগান দিচ্ছেন। কারণ ইউনূস দেশের ভার কাধে তুলে নেওয়ার পর পরিস্থিতি একটুকুও বদলাইনি। বরং দিন দিন সমস্যা বেড়েছে। তাই দেশের একটা বড় অংশ চাইছেন দেশের ক্ষমতা সেনা হাতে তুলে নিক। তাতে অন্তত দেশের লাগাম আসবে। এখন দেখার শেষমেশ, কি পরিস্থিতি তৈরি হয়।












Discussion about this post