৫ ই আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ঘটে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শক্তিশালী আওয়ামী লীগ বিতাড়িত হয় দেশ থেকে। এইবার আত্মগোপনে থাকা সাবেক স্বরাষ্টমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল খান ভারতীয় একটি গণমাধ্যমকে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেছেন।
তিনি দাবি করেছেন, গণ অভ্যুত্থান ছিল সেনাবাহিনীর একটি পরিকল্পিত একটি ষড়যন্ত্র। তার মতে, গোয়েন্দা বিভাগগুলির ব্যর্থতা ও সেনাবাহিনীর পুরোপুরি সহমতে এই অভ্যুত্থানকে সফল করেছে। তিনি বলেন, ৫ই অগাষ্ট আগে শেখ হাসিনার সঙ্গে সেনা প্রধানের বৈঠক হয়। তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকে সেনাপ্রধান সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, পরিস্থিতি একদম নিয়ন্ত্রণে থাকবে। সুরক্ষার দায়িত্ব সেনাবাহিনীর হতে থাকবে। কিন্তু তারপর যা হল, তাতে স্পষ্ট এটি পুরোপুরি পরিকল্পিত।
অন্যদিকে তিনি আরও বলেন, গোয়েন্দা বিভাগগুলি প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি রিপোর্ট করত। কিন্তু সেগুলি একেবারে সঠিক ছিল না। একাধিক মামলা দেওয়া হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে। এই মুহূর্তে তার অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইছে। কামালের মতে, তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। ভারতের সাপোর্ট সম্পর্কে স্পষ্ট করে তিনি জানান, বাংলাদেশের জন্য ভারত সবসময় শুভাকাঙ্খী।
প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগের তরফে সম্প্রতি গোটা বাংলাদেশ জুড়ে একটি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, ১ থেকে ১৮ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জনসংযোগ, বিক্ষোভ, মিছিল হরতাল করা হবে দেশে। এমনকি এটা স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে, যদি তাদের কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয়, তবে আরও বড় কোনও পদক্ষেপ করা হবে বাংলাদেশ জুড়ে। আওয়ামী লীগের কর্মসূচি সফল হয় কিনা, এখন সেটার দিকে নজর রয়েছে প্রত্যেকের। এর পাশাপাশি বিএনপির পক্ষ থেকেও প্রায় একই সময়ে বিক্ষোভ, প্রতিবাদের ডাক দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, দ্রুত নির্বাচন করতে হবে। এবং পাশাপাশি গোটা দেশ জুড়ে যেভাবে দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে লাগাম টানতে হবে। যা করতে ব্যর্থ তদারকি সরকার। বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ…. দুটি দল পরস্পর বিরোধী। কিন্তু বর্তমানে কোথাও গিয়ে তাদের দাবি প্রায় এক। এখন দেখার, শেষমেশ দুই দলের লক্ষ্য আদেও পূরণ হয় কিনা।












Discussion about this post