ফেব্রুয়ারি মাস নিয়ে নানা জল্পনা উঠে আসছে। রাজনৈতিক মহলে প্রবল চর্চার কেন্দ্রবিন্দু এই মাস। ঠিক কি হতে চলেছে? জানা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগের তরফে একটি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। পয়লা ফেব্রুয়ারি থেকে ১৮ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঠাসা কর্মসূচি রেখেছে আওয়ামী নেত্রী। প্রশ্ন হচ্ছে, আদেও এই কর্মসূচি সফল করতে পারবে আওয়ামী লীগ? কিসের মনোবলে তাদের এই ঘোষিত কর্মসূচি? পাল্টা গোটা দেশ জুড়ে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।
এখনও ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন শেখ হাসিনা। গোপনীয়তা বজায় রেখে বিভিন্ন সময় দেখা গিয়েছে, তাকে মন্তব্য করতে। কিন্তু এইবার সরাসরি তার নিজের দলের কর্মী সমর্থকদের জন্য কর্মসূচি ঘোষণা করলেন হাসিনা। গোটা দেশ বাংলাদেশ জুড়ে ফেব্রুয়ারির ১ থেকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত তার এই কর্মসূচি। তারমধ্যে রয়েছে জনসংযোগ, মিছিল, প্রতিবাদ, হরতাল। এমনকি এও বলা হয়েছে, যদি তাদের কর্মসূচিতে বাধা দান করা হয় তবে গোটা দেশ জুড়ে আরও বড় কোনও কর্মসূচি করা হবে। এখানেই প্রশ্ন, বাংলাদেশে এখন যা পরিস্থিতি, যেখানে আওয়ামী লীগ প্রায় নিচিহ্ন। বেশিরভাগ আওয়ামী নেতা, নেত্রী হয় বিদেশে পালিয়ে গিয়েছেন আর না হয় দেশে লুকিয়ে রয়েছেন। এমনকি তাদের কর্মসূচিতে বাদা আসবেই, সেটা জানেন শেখ হাসিনাও। কর্মসূচি সফল করা কার্যত চ্যালেঞ্জ তাদের কাছে।
তবে বহু রাজনৈতিকবিদ বলছেন, পোক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শেখ হাসিনা তিনি চাইছেন বাংলাদেশে সাধারণ জনগণ থেকে তার সমর্থকদের সংখ্যা বুঝতে। তাহলেই প্রমাণিত হয়ে যাবে, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ভুয়ো। এদিকে গোটা দেশ জুড়ে কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিএনপি।
বিগত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশে স্থায়ী সরকার গঠনের জন্য নির্বাচনের দাবি তুলেছে বিএনপি। কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বিভিন্ন সময় নানা সভা, মঞ্চ থেকে বিএনপির বহু নেতৃত্ব হুঙ্কার ছেড়েছেন। নির্বাচনের জন্য চাপ সৃষ্টি করেছে তদারকি সরকারকে। এইবার ফেব্রুয়ারিতে কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিএনপি। নির্বাচনের জন্য যেমন দাবি থাকবে ঠিক অন্যদিকে দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, দেশে নানা জায়গায় বিশৃঙ্খলা….এমন নানা বিষয়ে দাবি তুলবেন তারা।
একদিকে আওয়ামী লীগের মিছিল, বিক্ষোভ, হরতাল.. অন্যদিকে প্রতিবাদ কর্মসূচি বিএনপির। তাও একই সময়ে। এখন দেখার, কি অপেক্ষা করছে ফেব্রুয়ারি।












Discussion about this post