বাংলাদেশের সেনানিবাসে বিভক্তি। সেনা জওয়ানদের মধ্যে দুটি দল তৈরি হয়েছে, যার মধ্যে একটি দল চাইছে সেনা অভ্যুত্থান অপরটি সেনা অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করছে।
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এমনিতেই বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। তারা বুঝে উঠতে পারছেন না কখন কি ঘটে চলেছে গোটা দেশজুড়ে। বাংলাদেশের ক্যান্টনমেন্টে সেনা জওয়ানদের মধ্যে যে বিবাদ সৃষ্টি হচ্ছে তা আরো ভাবিয়ে তুলছে বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিককে। তবে কি বাংলাদেশে সেনা অভ্যুত্থান দেখতে চলেছে?
বাংলাদেশের সেনানিবাসে বেশ গুরুতর কিছু ঘটছে সেই জল্পনা ছড়িয়েছিল বিভিন্ন মহলে। সেনানিবাসে বেশ কিছু দল তৈরি হয়েছে সেনা জওয়ানদের মধ্যে সেই বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সেনানিবাসে একাধিক মেরু গঠনের খবর আসছে। তার জেরে ইসলামিক কট্টর পন্থীদের মদতে সেখানে কোন সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে কিনা সেদিকেই নজর রাখছে ভারত।
সূত্রের খবর লেফটেন্যান্ট জেনারেল মহম্মদ ফয়সুর রহমান দখল নিতে সক্রিয় বলে ধারণা তৈরি হয়েছে। কিছুদিন আগেই শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে ডিজিএফআই এর ডিজি পদে দায়িত্ব পেয়েছিলেন, আর এই দায়িত্ব পাওয়ার পরই মেজর জেনারেল থেকে জেনারেল পদোন্নতি পান তিনি। তিনি এখন সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল।
গত সপ্তাহেই পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, দেশে মানুষ এখন পরিষ্কার বুঝতে পারছেন, দেশে দিন দিন বাড়ছে দ্রব্যমূল্য। বেকারতের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে বিদ্বেষ বাড়িয়ে সমস্ত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ। এছাড়াও ইউনূসের আমলেই বেড়ে উঠেছে মৌলবাদী, কট্টরপন্থী সংগঠনগুলি। দেশের অভ্যন্তরে একাধিক সমস্যা। যেগুলিকে লাগাম টানেনি ইউনূস বরং সেগুলিকে বাড়তে
দিয়েছেন।
অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরীর বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। বাংলাদেশের সেনাপ্রধান বেশ কিছু মন্তব্য করেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান জানান, ভারত বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশ যেমন ভারতের ওপর বহু ক্ষেত্রে নির্ভর করে ঠিক অন্যদিকে ভারত ও বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন সুবিধা পেয়ে থাকে। দুই দেশ স্বার্থপরীপন্থী। কাজেই ঢাকার এমন কিছু করা উচিত নয়, যেটা ভারতের স্বার্থকে আঘাত হানবে। অন্যদিকে একই বিষয়ে বাংলাদেশও প্রত্যাশা রাখবে ভারতের থেকে। তবে কি ইউনূসের দেশ চালানোর আচরণ ভালো লাগছিল না সেনাপ্রধানের? তবে কি তিনি নিজেই দেশে ভার হাতে তুলে নেবেন? বাংলাদেশে কি খুব তাড়াতাড়ি জারি হতে চলেছে সেনা শাসন? তার উত্তর দেবে একমাত্র সময়।












Discussion about this post