পদ্মাপাড়ে চলছে নৈরাজ্য। চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়শীদেশে ঘাটি বাঁধছে জঙ্গিরা। জেহাদীদের কবলে পড়ছে দেশের সাধারণ মানুষ। সূত্রের খবর, ঢাকা সহ বিভিন্ন এলাকার নিয়ন্ত্রণ চলে গিয়েছে জঙ্গি সংগঠনগুলির হাতে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আইএসআইয়ের পতাকা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আর এর মধ্যেই সেনা মোতায়নে বাঁধা ইউনূসের। এমনকি এই খবরও উঠে আসছে, অশান্তি পরিবেশ রুখতে সেনা আসলেও, তাদের মাথা নিচু করে ফিরে যেতে হচ্ছে।
সূত্রের খবর, বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান চেয়েছিলেন, বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিতে সেনা মোতায়েন করতে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, কোনরকম সেনা মোতায়ন করা হবে না। দেশটির তদারকি সরকারের রোষানলে পড়েছেন সেনাপ্রধান। এমনকি গোপন সূত্রে জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামানকে সেনাপ্রধানের পদ থেকে সরিয়ে ফেলার চক্রান্ত শুরু হয়েছে।
সম্প্রতি, ঢাকায় অ্যালেক্স সরসের সঙ্গে বৈঠক করেন ইউনূস ও তার বাহিনী। অর্থ সাহায্যের জন্য সাহায্য চাওয়া হয় এই সংস্থার কাছ থেকে। এখানেই শেষ নয়, বাংলাদেশে যে ধ্বংসলীলা চালানো হচ্ছে, তার জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়। গোটা দেশটি জিহাদি কট্টর মৌলবাদী সংগঠনের হাতে চলে গিয়েছে, মনে করছেন ভারতীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
যদিও এই পরিস্থিতিতে থেমে নেই বাংলাদেশের বহু মানুষ। তারা প্রতিবাদ করছেন বিভিন্ন মাধ্যমে। প্রতিবাদ করাই অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশের গোয়েন্দা পুলিস। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় তার বাড়ি। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে।
অর্থাৎ বাংলাদেশের এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে যারা এই মুখ খুলবেন তাদেরই কণ্ঠ রোধ করার চেষ্টা করা হবে। ঠিক যেমনটা হয়েছিল, হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুর বিরুদ্ধে। সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন, নিপীড়নের কথা জনসমক্ষে আনতেই গ্রেফতার করা হয় তাকে। এখনো মুক্তি দেওয়া হয়নি চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুকে।
যদিও বাংলাদেশের বহু সাধারণ জনগণ এই ঘটনাগুলিকে সমর্থন করে না। এখন দেখার, শেষমেশ কি পরিণতি হয় বাংলাদেশের।












Discussion about this post