অস্থির পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল অবস্থায় আনতেই গঠিত হয়েছিল অন্তবর্তী সরকার। দেশে শান্তি ফেরাতে ক্ষমতায় বসানো হয়েছিল নোবেল জয়ী মোহম্মদ ইউনূসকে। কিন্তু শান্ত হল কই বাংলাদেশ? শান্তির নোবেল জয়ী কি পারলেন সোনার বাংলাদেশকে ধরে রাখতে?
যদিও এই প্রশ্নগুলো আর কেউ তুলছেন না। বরং সিদ্ধান্তে পৌঁছে গিয়ে সবাই বলছেন, বিশ্ব দরবারে বিশৃঙ্খলাতার দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে রাষ্ট্র চালাতে ব্যর্থ মোহাম্মদ ইউনুস? ব্যর্থ শুধু তাই নয়, তিনি একের পর এক ভুল করে বসছেন। রাজনৈতিক মহলের বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, অপরাধ করছেন মোহাম্মদ ইউনুস।
দেশে বাড়ছে কট্টরপন্থী মৌলবাদীদের সংখ্যা। চরম অরাজকতা। নাহলে ইতিহাসকে অস্বীকার করতে, মুছে ফেলতেই মরিয়া হয়ে পড়ে আজকের প্রজন্ম? এর পিছনে কলকাঠি নাড়ছে করা। মনে করা হচ্ছে, ইউনূসের আমলে বেড়ে ওঠা কট্টরপন্থী সংগঠনগুলি, এমনকি তালিকায় জঙ্গি-গোষ্ঠীগুলো থাকতে পারে এর পিছনে। যারা ইন্ধন যোগাচ্ছে তাই নয়, অর্থ যোগাচ্ছে এই বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে গোটা বাংলাদেশ জুড়ে।
২০২৪ এর চৌঠা আগস্ট বঙ্গবন্ধুর বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ২০২৫-এ এসেও সেই ১০ থেকে পার পেল না বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির 32 নম্বর বাড়িটি। বাড়ি ভাঙ্গা, জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় শুধু নয, সামনে এল একটি ভয়ংকর চিত্র। যেটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। যখন বড় বড় দানব মেশিন গুলো বঙ্গবন্ধুর শেষ স্মৃতিটুকু মুছতে মরিয়া, তখন একদল মানুষকে বাইরে উল্লাস করতে দেখা গেল। উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ছে, যখন ইতিহাস বিজড়িত স্মৃতি, স্বাধীন বাংলাদেশ তৈরি করার পরিকল্পনার আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ কেমন বাংলাদেশ? নাকি এই বাংলাদেশি গড়তে চেয়েছিলেন মোহাম্মদ ইউনুস?
এমনকি এটাও শোনা যাচ্ছে, ওই চত্বরে পুলিশ দেখা যায়নি ঠিকই কিন্তু সেনাবাহিনী ছিল। কিন্তু তাদের কাজ করতে দেওয়া হয়নি। তাদেরকে ফিরে যেটা হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে। এমন ভয়ানক খবর সামনে আসতেই, একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গোপন সূত্রে খবর আসছে, বাংলাদেশের সেনা প্রধান ওয়াকার উজ জামান নাকি হাসিনা পন্থী বলে পরিচিত। আর এই কারণেই তাকে সরিয়ে ফেলার চক্রান্ত চলছে। সেনাবাহিনীর মধ্যেই একাধিক গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। সেই ভাবেই কাজ চালানো হচ্ছে।
যদিও এর আগে বাংলাদেশ বহুবার সেনা বিদ্রোহের মুখোমুখি হয়েছে। আবারো কি সেনা বিদ্রোহের বীজ বপন করা হচ্ছে? যদি তাই ঘটে, তবে বিশ্ব দরবারে উন্নয়নের রোল মডেল বাংলাদেশ আরো পিছিয়ে পড়বে। তা বলাই বাহুল্য।












Discussion about this post