বাংলাদেশে অন্তবর্তী সরকারের প্রধান মোহম্মদ ইউনূসের আমলে ভারত বিদ্বেষ চরমে উঠেছে। হাসিনার দেশ ত্যাগের পর ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। তারপর আরও যেন ক্রমেই বাড়ছে বিদ্বেষী মনোভাব। এই পরিস্থিতি তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, ধূলিস্যাৎ করা হয়। যখন এই বাড়ি ভাঙ্গা চলছে, তখন দুই বিচ্ছিন্নতাবাদী মানুষের অনলাইন কথোপকথন সামনে এসেছে। দুজনের নাম জানা গিয়েছে ইলিয়াস হোসেন এবং পিনাকী ভট্টাচার্য। এই দুজনেই ভারত বিরোধী নামে পরিচিত। এমনটাই শোনা যায়। তাদের কথা শুনে স্পষ্ট, বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ভাঙার কে তারা সমর্থন করছে। পাশাপাশি যারা হামলা চালিয়েছেন, তাদের নির্দেশ দিয়ে যাচ্ছেন। ওই শো তে শোনা যায় একজনকে বলতে, আমরা বুলডোজার পাচ্ছি না। পিনাকী ভট্টাচার্য বলেন, যেন বুলডোজার পাওয়া যাচ্ছে না? আমি তো বুলডোজার পাঠিয়েছি। তারপর হামলাকারীকে বলতে শোনা যায়, একটা বুলডোজার পাওয়া গেলেও সেনা নাকি বাধা দিচ্ছে।
ইলিয়াস হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছিল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। এমনকি তিনি একবার পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নেন আমেরিকাতে। তবে শোনা যায়, নিউ ইয়র্কে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
অন্যদেরকে পিনাকী ভট্টাচার্য একজন বাংলাদেশী কর্মী চিকিত্সক। এছাড়াও তিনি আওয়ামী লীগ ও হাসিনাকে সমালোচনা করার জন্য পরিচিত ।
কোনও সরকারের সমালোচনা করতেই পারেন, কোন সরকারি নেত্রীকে ভালো নাও লাগতে পারে। কিন্তু যিনি দেশের জনক, যার হাত ধরে গোটা দেশ স্বাধীন হলো, তার সেই বাড়ি ভাঙচুর করা হলো। তাতে শুধু সমর্থনই নয়, এই কর্মকান্ডের ইন্ধন জুগিয়েছেন এরা। যা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত ভযাবহের। মনে করছে ওয়াজিবহল মহল












Discussion about this post