দ্বিতীয়বার মসনদে বসার পর মুখোমুখি মোদি ট্রাম্প। প্রত্যেকের নজর ছিল, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে কি কথা হয়। বাংলাদেশের প্রসঙ্গ ওঠে কিনা। শোনা যাচ্ছে, ট্রাম্প বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এবং তিনি বলেন, বাংলাদেশের সমস্যা সমাধানের বিষয়টি তিনি মোদীর উপর ছেড়ে দেন। আর তারপরই মোদি বলেন, ভারত নিরপেক্ষ নয়। ভারতের পক্ষ রয়েছে। ভারত শান্তির পক্ষে। ঠিক কি বলেছেন তিনি, শুনুন…
তবে বাংলাদেশ নিয়ে ট্রাম্পের যে কড়া প্রতিক্রিয়া থাকবে, আগে আঁচ করা গিয়েছিল। তারউপর মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ নিয়ে কি আলোচনা হতে পারে? নানা প্রশ্ন উঠছিল। এরপর সমস্ত জল্পনার অবসান হল। এইবার নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে শান্তি ফেরাতে সেনা পাঠাবেন?
এদিকে কিছুদিন আগে ট্রাম্প বাংলাদেশকে পাঠানো সমস্ত অর্থ সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছেন। আর তাতে সমস্যায় পড়েছে বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান মোহাম্মদ ইউনূস। তার উপর এই ধরনের বক্তব্য, স্বাভাবিকভাবেই চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, সূত্র মারফত খবর, দুই রাষ্ট্র প্রধানের আলোচনায় উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক দুই দেশের নানা সমস্যা। এমনকি এই খবরও উঠে আসছে, ভারত চীন সীমান্তের সমস্যা মেটাতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু সেটি প্রত্যাখ্যান করেন নরেন্দ্র মোদি। এছাড়াও সামরিক দিক থেকেও আলোচনা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে। ভারতকে এফ ৩৫ যুদ্ধবিমান দেবে আমেরিকা। এছাড়াও জানা গিয়েছে, মোদি ট্রাম্প যৌথভাবে বিবৃতি দিয়েছে পাকিস্তানকে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতায় বসার পর থেকে চাপে আছেন মোহাম্মদ ইউনুস। এমন টা বলছে ওয়াকিবহাল মহল। তার কারণ বাংলাদেশে যে বিশৃঙ্খলা হল, সেই নিয়ে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প বলেন, তিনি ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি হতে দিতেন না। এখন তিনি ক্ষমতায়। এখন দেখার, সত্যিই বড় কোনও পদক্ষেপ করে কিনা, অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদীর পরবর্তী আকশন কি থেকে বাংলাদেশ নিয়ে।












Discussion about this post