ভূ রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এখন বাংলাদেশ প্রসঙ্গই খবরের শিরোনামে। সেখানে সদ্য রাজনৈতিক পট পরিবর্তন, তার উপর দেশের অন্দরে হয়ে চলা একাধিক ইস্যু। যা রাজনৈতিক মহল বলছে বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত ভয়ংকর। এতে কিভাবে রাশ টানা যাবে সেই নিয়ে নানা জন নানা তত্ত্ব দিচ্ছে। তবে রাশ টানতে হবে দেশের সরকারকেই। তবে পরিস্থিতি বদল আসবে।
এদিকে ট্রাম্প মোদীর দীপক্ষিপ বৈঠকে উঠে এসেছে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ। সেখানে বাংলাদেশের সমস্ত ভার ছেড়ে দিলেন মোদীর উপর। যা নিয়ে চলছে প্রবল আলোচনা। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের বৈঠকের পর ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, সমস্ত দেশের শান্তি শৃংখলা বজায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কারণ এই সময়টা অত্যন্ত যুদ্ধ প্রবাহ একটি সময়। ইসরায়েল হামাসের যুদ্ধ, রাশিয়া ইউক্রেন।
তবে ভারত শান্তির পক্ষে। ভারত চায় সমস্ত দেশকে সঙ্গে নিয়ে শৃঙ্খলা মেনে থাকতে। তাতে ভারত বিশ্বাস করে বাণিজ্য ক্ষেত্রে সুবিধা হবে।
তবে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তবে সেই সমস্ত বিষয় নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর। এমনটাই জানান, বিক্রম মিশ্রি। তবে বাংলাদেশ নিয়ে ট্রাম্পের যে কড়া প্রতিক্রিয়া থাকবে, আগে আঁচ করা গিয়েছিল। তারউপর মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ নিয়ে কি আলোচনা হতে পারে? নানা প্রশ্ন উঠছিল। এরপর সমস্ত জল্পনার অবসান হল। এইবার নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে শান্তি ফেরাতে সেনা পাঠাবেন?
উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতায় বসার পর থেকে চাপে আছেন মোহাম্মদ ইউনুস। এমন টা বলছে ওয়াকিবহাল মহল। তার কারণ বাংলাদেশে যে বিশৃঙ্খলা হল, সেই নিয়ে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প বলেন, তিনি ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি হতে দিতেন না। এখন তিনি ক্ষমতায়। এখন দেখার, সত্যিই বড় কোনও পদক্ষেপ করে কিনা, অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদীর পরবর্তী আকশন কি থেকে বাংলাদেশ নিয়ে।












Discussion about this post