ফের একবার হাসিনা দেশে ফেরার কথা জানালেন। কবে ফিরছেন শেখ হাসিনা? এই প্রশ্ন তুলে নানা জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে। জানা যাচ্ছে, তিনি আবারও আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজে সোমবার রাতে অংশ নিয়েছেন। দায় মুক্তি নামে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বেশ কিছু বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। এর পাশাপাশি নির্যাতিত মানুষের বক্তব্য শোনেন। বিশেষ করে পুলিশ সদস্যদের কথা শোনেন তিনি। শুনেই তিনি বলেন, দেশে ফের ফিরবেন এবং যারা এই নির্যাতন, হত্যার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিচার হবে। তবে কি হাসিনার দেশে ফেরার পরিকল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে? কবে ফিরছেন তিনি?
একজন রাষ্ট্রোনটার সবার আগে প্রয়োজন সাধারণ জনগণের গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করা। সেটা যত বেশি হবে, ততই দেশে থেকে কাজ করা সহজ হবে। জনগণই ঠিক করে রাষ্ট্রনেতা বা প্রধানের সিংহাসনে বসার। গোপন সূত্রে খবর, বাংলাদেশে অভ্যন্তরে হাসিনার ফেরার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়ে গিয়েছে। হাসিনা সেদিন জানান, পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের হত্যা করা হয়েছে। যারা দিন রাত সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে, তাদের হত্যা করেছে ইউনুস সরকার। তারপরই তিনি জানান, তিনি দেশে ফিরবেন এবং শহীদদের প্রতিশোধ নেবেন।
তবে এটা বলেই থেমে থাকেননি মুজিব কন্যা। তিনি বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছে ইউনুস প্রশ্বাসন। তারপর সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার চালিয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইউনূসের উদ্দ্যেশে বলেন, উনি নিজেই বলেছেন, উনি দেশ চালাতে ব্যর্থ। তার নিজের কোনও অভিজ্ঞতা নেই। যিনি নিজেই বলেছেন, তিনি ব্যর্থ, তাহলে তার উপর দেশের ভার থাকে কি করে। ছয় মাস কেটে গিয়েছে, গোটা দেশটি জঙ্গিদের হাতে চলে গিয়েছে।
এখন আবার দেশে শুরু হয়েছে ডেভিল হান্ট অভিযান। কে এই ডেভিল? কাকে খুঁজছে তারা? এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি। মহুমুদ ইউনুস মানবধিকার লঙ্ঘন করেছেন। এর দায়ভার তাকেই নিতে হবে। এমনকি শেখ হাসিনা বলেন, তিনি দেশে ফিরলে যতটা সম্ভব সবাইকে সাহায্য করবেন। বাংলাদেশে কোনো জঙ্গিবাদ চলবে না বলে জানান তিনি।
এর আগেও শেখ হাসিনা দেশে ফেরার কথা জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু তার মধ্যে ছিল চাপা হতাশা। তবে আর কোনও রাখঢাক নয়। সোজাসুজি ঘোষণা করে দিলেন, দেশে ফিরছেন তিনি। তবে অনেকে বলছেন, দেশে আওয়ামী লীগ কর্মী, সমর্থকদের মনবল বাড়ানোর জন্য এমন ঘোষণা করেছেন। কিন্তু দেশে ফেরার ছক নাকি তৈরি করে ফেলেছেন। এখন এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেবে সময়।












Discussion about this post