তুলসি গ্যাবার্ড ও অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক হয়ে গেল। বৈঠকের পর দুপক্ষের তরফে সরকারিভাবে কোনও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেনি। নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি ঠিক কি বিষয় বৈঠক হয়েছে। তবে বৈঠক থেকে কি কি উঠে আসতে পারে তা নিয়ে অনুমান করছে রাজনৈতিক মহল। বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমও প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। মনে করা হচ্ছে, এই বৈঠক থেকে ঠিক হয়ে গেল আগামী চার বছরের জন্য আমেরিকা ও ভারতের গুরুত্বের বিষয়টি। তবে গোপনীয়তার সঙ্গে প্রথম বৈঠক হল অজিত ডভালের সঙ্গে তুলসি গ্যবাদের। এমনকি জানা গিয়েছে, ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং আরও একটি বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে ভারত ও আমেরিকার বিভিন্ন অস্ত্র চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে খবর। তবে সবথেকে বেশি আলোচিত হচ্ছে, তুলসি গ্যাবার্ড এবং অজিত দোভালের বৈঠক।
সূত্র বলছে, এই বৈঠক থেকে ভারত আমেরিকার কৌশলগত বোঝাপড়া করা হয়েছে। পিটিআই একটি প্রতিবেদনে সূত্র কে উদ্ধিত করে বলেছেন, এই বৈঠক ইতিবাচক হয়েছে।
আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত এবং আমেরিকার মাথা ব্যথার একটি ইস্যু সন্ত্রাসবাদ বা অনুপ্রবেশকারী। কোনভাবেই দেশে ঢুকে যাতে অনুপ্রবেশকারীরা বা কোনও জঙ্গি সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করতে না পারে, সেই নিয়েই জোরদার নিরাপত্তার কাজ চালানো হচ্ছে। এই বিষয়ে দুই দেশ দুই দেশকে সহযোগিতা করবে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, তুলসি গাওয়ার্ড ভারত সফরে এসেছেন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্নভাবে আলোচনা করার কথা ছিল তার। এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি বৈঠক করেছেন তুলসী, এমনটাই খবর সূত্র মরফত। উল্লেখযোগ্য ভাবে, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি আমেরিকার সফরে গেলে তুলসি গ্যবাদের সঙ্গে বৈঠক হয় তার। এবার তুলসি ভারতে এলেন। ডোনাল্ড ট্রাম ্প আমেরিকার মাঝখানে পাকাপাকিভাবে বসার পর আমেরিকার শীর্ষস্থানীয় কোন অধাধিকার ভারত সফরে এলেন।
প্রসঙ্গত, এই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে কিনা, সেটা জানা যায়নি। তবে বাংলাদেশের যেভাবে জঙ্গিদের আখড়া হয়ে উঠছে, তবে ভারতের মাথাব্যথা কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে নিরাপত্তা নিয়ে। কারন এটা বিভিন্নভাবে স্পষ্ট হয়েছে, পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন গুলি ভারতের সরাসরি ঢুকতে না পেরে বাংলাদেশকে মাধ্যম করছে। প্রথমে বাংলাদেশে ঘাঁটি করছে তারা।
এরপর ঘুরপথে ভারতে প্রবেশ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। যদিও কড়া নিরাপত্তায় রয়েছে সীমান্তবর্তী এলাকা।












Discussion about this post