পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পর ভারতের নিশানায় পাকিস্তান। জঙ্গিদের লাগাতার মদত দিচ্ছি শুধু তাই নয়, নির্লজ্জের মত স্বীকার করছে তারা। এদিকে পাকিস্তানের ওপর একের পর এক কড়া পদক্ষেপ করছে ভারত। সিন্ধু জল চুক্তি বাতিল থেকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে নয়া দিল্লি। অনেকে বলছে, যুদ্ধের সন্নিকটে দাঁড়িয়ে গেছে দুটি দেশ। তবে পাকিস্তান সরাসরি যুদ্ধে নামবে কিনা, বা যুদ্ধের আগেই হার স্বীকার করে নেবে কিনা ভারতের কাছে, সেটা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে। এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, প্রত্যেকের শাস্তি হবে। বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলো যেমন আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স, ইসরাইল.. এরা প্রত্যেককে ভারতের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াই করতে এগিয়ে আসবে এই দেশগুলো। চীন এবং তুরস্ক ছাড়া পাকিস্তানের পাশে কেউ নেই। এমনকি মুসলিম প্রধান দেশগুলোও পাকিস্তানের পাশে নেই। এদিকে আড়ালে রয়েছে বাংলাদেশ। নিজেদের চতুর মনে করে, ব্যালেন্স করার চেষ্টা করছে ভারত, পাকিস্তানের সঙ্গে। অনেকে বলছেন, যদি পাকিস্তান ভারতের যুদ্ধ হয়, তবে রণাঙ্গন হিসাবে যেমন পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার হবে ঠিক অন্যদিকে বাংলাদেশের মাটি ও ব্যবহার করবে পাকিস্তান। এমনকি সূত্রের খবর, মোহাম্মদ ইউনুস সেই প্রস্তাবে নাকি সাই দিয়েছেন। কারণ তিনি মনে করছেন, পাকিস্তানের বলে বলীয়ান হয়ে এবং চীন তাদের পাশে দাঁড়ালে তিনি এগিয়ে যেতে পারবেন। এবং তিনি ভাবছেন সমুদ্রের অভিভাবক। যাকে ব্যবহার করে সেভেন সিস্টার্স দখল করে নেবে চীন। কিন্তু তারা জানে না, ইতিমধ্যে চিকেন নেকে উন্নত সামরিক প্রস্তুতির মাধ্যমে যেকোনও সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলা করতে তারা প্রস্তুত। করিডরের কাছে সুকনায় সদর দফতর অবস্থিত ত্রিশক্তি কোরের। যারা এই অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই রাফাল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র এবং উন্নত আকাশসীমা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত। ভারতীয় সেনা শিলিগুড়ি করিডরে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে, যা আকাশসীমায় শত্রুর অনুপ্রবেশ রোধ করতে পারবে। শুধু তাই নয়, ভারতীয় সেনার একটি বড় দল সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে। ফলে সেখানে আঘাত হানা এত সহজ নয়।
এদিকে পাকিস্তান ভাবছে, তাদের ছোট দেশে যদি ভারত আঘাত হানে তবে দেশ খুব তাড়াতাড়ি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু দূরবর্তী একটি দেশকে যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করলে, তবে ভারতীয় সেনাদের দুদিকে ছড়িয়ে দেওয়া যাবে। ফালে যুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদি এবং পাকিস্তানের জন্য খানিকটা সহজ হবে। এদিকে পাকিস্তানের সবথেকে বড় শক্তি হল পারমাণবিক শক্তি। তাদের কাছে ১৩০ থেকে ১৭০ টি পারমাণবিক বোমা রয়েছে। এদিকে আমেরিকা ২০১১ সাল থেকে নাকি পাকিস্তানের পারমাণবিক শক্তিগুলোকে ধ্বংস করতে উঠে পড়ে লেগেছে। খবর রয়েছে, ভারতের কাছে খবর আছে পাকিস্তানের পারমাণবিক ঘাঁটি। এমনকি ভারত যে সমস্ত ক্ষেপণাস্ত্র গুলি পাকিস্তানের দিকে তাক করে রেখেছে সেগুলি পারমাণবিক ঘাঁটির দিকেই। এদিকে খবর পাকিস্তান তাদের কিছু অস্ত্র বাংলাদেশে মজুত করতে চায়। যাতে প্রয়োজনে তারা সঠিক সময়ে, সঠিক জায়গা মত ব্যবহার করতে পারে। এই সুযোগে বাংলাদেশ বেশ কিছু অস্ত্র পেয়ে যাবে। এই জোর নিয়ে তারা মনে করছে, ভারতকে চোখ রঙ্গাবে তারা। কিন্তু বাংলাদেশ জানে না, তারা যাকে পিতা মনে করছে সেই পাকিস্তান ভারতের কাছে একাধিকবার যুদ্ধে হেরেছে। এমনকি পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির বেপাত্তা। এই খবর গুজব বা সত্যি যায় হোক না কেন, এই খবর করছে পাকিস্তানি মিডিয়া। এমনকি এই নিয়ে যখন প্রবলভাবে ট্রোল চলছে পাকিস্তানে তখন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ তিনি তার দপ্তর থেকে ছবি-সহ বিবৃতিতে জানিয়েছেন আসিম মুনির দেশেই রয়েছেন। কিন্তু তারপরও ট্রোল কমছে না সে দেশে। এদিকে কাশ্মীরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে ভারতের তরফে। নিরাপত্তার জন্য ৪৮ টি পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ করা হয়েছে। এমনকি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে। জনপ্রিয় পর্যটনস্থল গুলিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। স্পর্শকাতর এলাকা গুলিতে নতুন করে সেরা মোতায়ন করেছে ভারত। এমনকি অস্থায়ী নিরাপত্তার ছাউনিগুলিও ঢেলে সাজানো হচ্ছে। যাতে ৭২ থেকে ৯৬ ঘণ্টা পর্যন্ত অপারেশন চালাতে পারে সেনা সদস্যরা। কাজেই এখন দেখার, বাংলাদেশ পাকিস্তান মিলে গুটি সাজালেও ভারতের বিরুদ্ধে কি করতে পারে! অনেকে অবশ্য বলছে, ওরা কিছু করার আগেই ভারত কড়া পদক্ষেপ করবে পাকিস্তানের উপর!












Discussion about this post