এই মুহূর্তে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন জায়গায় রয়েছে। কারণ একটি বাইরের শক্তি বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণ করছে। সেটার প্রমান সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা ভালো করে লক্ষ্য করলেই বোঝা যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের ভাগ্য এখন বিদেশের হাতে। তবে যে যে কর্মকাণ্ড মহম্মদ ইউনুস করছেন, ফখরুদ্দিন আলী আহমেদের মত অবস্থা হবে। তিনিও ২০০৭ সালে অন্তর্বর্তীকালীন একটি সরকারের প্রধান ছিলেন। কিন্তু দেশের পরিস্থিতি এমন ভয়ঙ্কর জায়গায় পৌঁছে যায়, তাতে তিনি ক্ষমতা থেকে সরে যেতে বাধ্য হন। তার থেকেও ভয়ংকর পরিণতি হতে চলেছে বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টার। বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
শেখ হাসিনার পতন হবার পর বাংলাদেশে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যে সরকারের মাথায় বসানো হয় নোবেল জয়ী মোহম্মদ ইউনূসকে। প্রত্যেকেই ভেবেছিলেন তার আমলে হয়তো বাংলাদেশের পরিস্থিতি আয়ত্তে আসবে। কিন্তু পরিস্থিতি আরো বিশৃঙ্খল জায়গায় চলে যায়। তার মধ্যে এই সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিক আলীন সরকার যে সমস্ত সিদ্ধান্তগুলি নিচ্ছেন, সেগুলি দেশের জনগণের জন্য একেবারেই মঙ্গল জনক নয়। যেমন আরাকান আর্মিদের সহায়তা পাঠানোর জন্য মানবিক করিডোর হিসাবে বাংলাদেশকে ব্যবহার করতে দেওয়া হয়েছে। এমনকি সরকারের তরফে বলা হয়েছে, এটি একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত। কিন্তু অনেকেই বলছেন বাংলাদেশ পরবর্তী কালে যুদ্ধের মধ্যে জড়িয়ে পড়তে পারেন। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের মিত্র ভাব বেড়েছে মোহাম্মদ ইউনূসের জমানায়। সেটিও ভালো চোখে দেখা হচ্ছে না বিশ্ব দরবারে।
তারমধ্যে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে বাংলাদেশ। যখন আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছিল, তখন বিএনপি’র মত রাজনৈতিক দলগুলো সুর ছড়িয়েছিল, তারা এর পক্ষে নয়। কিন্তু পরবর্তীকালে দেখা গিয়েছে, বিএনপি’র কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হলে তারা নীরব থেকেছে। ফলে রাজনৈতিক দলগুলির কার্যক্রমও প্রশ্নচিহ্নের মুখে ফেলে দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, জাতীয় নাগরিক পার্টি এই মুহূর্তে যা চাইছে, সেটাই করে বসছে অন্তর্বর্তীকালীন কালীন সরকার। সরকারকে পরিচালনা করছে তারাই, বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে, মোহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্ব বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কে অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে। তবে এতে পার পাবেন না মোহাম্মদ ইউনূস। ফখরুদ্দিন আলী আহমেদের সে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যেভাবে তাকে সরে যেতে হয়, ঠিক সেই পরিস্থিতির মধ্যেই পড়তে চলেছেন প্রধান উপদেষ্টা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, তিনি এই মুহূর্তে যে যে কর্মকাণ্ড করছেন, তাতে ফখরুদ্দিনের থেকেও ভয়ংকর পরিণতি হতে চলেছে মহঃ ইউনূসের।












Discussion about this post