প্রায় গৃহযুদ্ধের পথে বাংলাদেশ। তবে কি সে দেশে সেনা অভ্যুত্থান হবে? কারণ সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনীতি এবং সামগ্রিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখলে বোঝা যাবে, সেনাবাহিনী এবং সরকারের সম্পর্ক প্রায় তলানিতে এসে ঠেকেছে। সেনাপ্রধান যে এই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি অসন্তুষ্ট সেটা স্পষ্ট। কারণ সেনানিবাসে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শুধু তাই নয়, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হওয়া উচিত বলেও স্পষ্ট করে দেন। আর এখান থেকেই জল্পনা তৈরি হচ্ছে, তবে কি সেনাবাহিনী প্রস্তুত দেশের ক্ষমতা হাতে নিতে? তবে কি মোহাম্মদ ইউনুস পদত্যাগ করতে চলেছেন? যদিও এরকম একটি গুঞ্জন তৈরিও হয়েছিল দেশের অন্দরে। তিনি নাকি পদত্যাকে ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। এদিকে বর্তমান সরকারের টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারি ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব ফেসবুকে পোস্ট করে লিখেন, প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না। যদিও পরে তিনি সেই পোস্টটি ডিলিট করে লেখেন, এটি তার একান্ত ব্যক্তিগত মতামত।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউনুস সরকার খুব চাপের মধ্যে রয়েছে। বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ চাপ প্রকট হয়েছে। যেমন সেনাবাহিনী একেবারেই সন্তুষ্ট নয় সরকারের কার্যকলাপ নিয়ে।।এছাড়াও বৃহৎ শক্তির খেলাতে জড়িয়ে পড়েছেন ইউনুস। তবে সেটি তার ভুলের জন্যই। যেমন মায়ানমারে চীন এবং আমেরিকার যে পাওয়ার গেম চলছে, তাতে মহম্মদ ইউনূস ফাঁদে পড়েছেন। রাখাইন করিডোর এবং চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন মোহাম্মদ ইউনূস। অন্যদিকে খবর, পাকিস্তানি সেনা এবং আই এস আই ইউনুসের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। যাতে ভারতে তারা জঙ্গি পুশ করতে পারে। এছাড়াও বাংলাদেশে দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে চাপে রয়েছেন তিনি। আর সেই মুহূর্তেই পদত্যাগের কথা বলছেন প্রধান উপদেষ্টা। এটা পাল্টা চাপ কিনা ছাত্রদের উপর সেটাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কারণ ইউনূস না থাকলে ছাত্রদের একটা বড় অংশ বিপদে পড়বে। এবং তারা এখন মহম্মদ ইউনুস কে সমর্থন করে। ফলে ইউনূসের আকাশে এখন কালো মেঘের ঘনঘটা। এই জটিল পরিস্থিতি এখন কোন দিকে গড়ায় সেটাযই এখন দেখার।












Discussion about this post