বাংলাদেশের পরিস্থিতি যত দিন গড়াচ্ছে, ততই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। ঢাকার মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী লালচাঁদ ওরফে সোহাগকে হত্যার পর ফের হিন্দু এবং সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে। অন্তত এমন ছবি দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে যে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার, নির্যাতন বেড়েছে, যেটা তারা বারবার অস্বীকার করছিল, সেটা প্রমাণিত। এই ঘটনার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ইউনূস সরকারের আমলের কীর্তি সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, একজন ব্রিটিশ সাংসদ নাকি পার্লামেন্টে বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিষ্টান-সহ বিভিন্ন সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, স্পিকার এই বছরের শুরুতে আমি সংখ্যালঘু পদ মর্যাদা বৃদ্ধি করেছিলাম। এবং একটি সেমিনার আয়োজন করেছিলাম। যেখানে হিন্দু, খ্রিস্টান ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষেরা উপস্থিত ছিলেন, এমনকি সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সরাসরি আক্রমণের শিকার হওয়া মানুষেরা। তাদের থেকে শুনেছিলাম, তাদের কোনও নিরাপত্তা নেই। এমনকি বাংলাদেশে রথযাত্রা উপলক্ষ্যে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিলের উপর হামলা চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা, সেটাও দেখেছি। একইসঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার সাধারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে ব্যার্থ হয়েছে। ঠিক কি বলেছেন ব্রিটিশ সাংসদ শুনুন
অন্যদিকে শাসকদলের একজন ব্রিটিশ সাংসদ জানান, মত প্রকাশের বিশ্বাস সাধারণত অধিবেশনের শেষের দিকে আসে। তবে তিনি সত্যিই আনন্দিত যে তিনি সেটা করেছেন। তিনি জানান, তারা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ক্রমাগত আলোচনা রয়েছে এবং তারা সকল সম্প্রদায়কে রক্ষা করা ধর্মীয় স্বাধীনতা সমুন্নত রাখার গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্ব স্পষ্ট করে দিয়েছে। তারা সেই সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখবেন এবং আমি নিশ্চিত করব এবং সংসদের আলোচনা অব্যাহত থাকবে। ঠিক কি বলেছেন ওই সাংসদ শুনুন
অর্থাৎ বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখন আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে উত্থাপিত হয়েছে। এবার কি করবেন মহম্মদ ইউনূস? এদিকে ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় বাংলাদেশে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এমনকি নামানো হয়েছে সেনা। পাশাপাশি নেমেছে পুলিশ। এদিকে এলাকা খালি করতে সিএনজি চালকের নির্দেশ দিতে দেখা গিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে। এমনকি এই বিষয়টি নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ বচসায় চলে। এদিকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, দেশবাসি নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবং অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের ধরতে তল্লাশি চলবে। এমনকি তিনি জানান, নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তল্লাশি করবে। এমনকি জানা যায়, মিটফোর্ডের ঘটনায় সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আসলে চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী লালচাঁদ ওরফে সোহাগকে পিটিয়ে খুন করা হয়। এমনকি অভিযোগ ওঠে বিএনপির ছাত্রদল, যুবদল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই ব্যাকফুটে চলে গিয়েছে বিএনপি। তার ওপর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি একেবারে উঠে এল। তবে কি সত্যিই মহম্মদ ইউনুস দেশের লাগাম টানতে পারছেন না? উঠছে প্রশ্ন।












Discussion about this post