সোমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একটি সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন। জানা যাচ্ছে, ওই বৈঠকে নাকি শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কীভাবে তাকে দেশে ফেরানো হবে, সেটা ঘিরে আলোচনা হবে। ঠিক এরকম একটি বৈঠক হয়েছিল, যখন পাকিস্তানের উপর ভারত অপারেশন সিঁদুর চালাল। অর্থাৎ যখনই সর্বদলীয় বৈঠক ডাকা হয়, তখনই গুরুত্বপূর্ণ কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। তবে এই সর্বদলীয় যে বৈঠক ডাকা হল, তাতে হতে পারে, মিয়ানমারে যে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করা হল, সেটা নিয়ে। অন্যদিকে শেখ হাসিনার প্রত্যপন নিয়ে হতে পারে। খবর সূত্রের।
এমনিতেই শেখ হাসিনা সরকারের পতনের এক বছর হতে চলল। জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করার উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে বাংলাদেশে। অন্যদিকে আমেরিকার ট্রেড ডিল আটকে রেখেছে ভারত। আমেরিকা যদি ভারতের নীতিমালা এবং শর্ত মেনে নেয় তবে ভারত তাতে সম্মতি হবে। জানা যায়, আমেরিকা বছরে ১৩০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য ভারতে রফতানি করে। সেটি যদি বন্ধ হতে যায়, তবে আমেরিকার একটি বড় চাপ পড়বে। এদিকে আমেরিকার শুল্ক নীতিতে চাপে বাংলাদেশ। এদিকে বাংলাদেশকে চাপে ফেলছে ভারত।
সোমবার যে বৈঠক ডাকা হয়েছে, তাতে মনে করা হচ্ছে জঙ্গি দমনে যেভাবে সিদ্ধহস্ত ভারত, মিয়ানমারে হামলা চালালো, সেখানে বাংলাদেশের উপর কিভাবে করা যায়! কারণ বাংলাদেশে বাড়ছে জঙ্গি কার্যকলাপ। পাশাপাশি ভারতের সেভেন সিস্টার্স এর দিকে নজর দিচ্ছে বাংলাদেশ। তাতে তাদের বোঝানো প্রয়োজন।
আর একটি বিষয় হতে পারে, শেখ হাসিনাকে তার নিজের জায়গায় ফেরত পাঠানো। কূটনৈতিক মহল বলছে, ভারত মায়ানমারে জঙ্গি হামলা দিয়ে শুরু করেছে, এবার বাংলাদেশ দিয়ে থামবে। এখন দেখার, আসলে কি পরিণতি হতে চলেছে মহম্মদ ইউনূসের বাংলাদেশের!












Discussion about this post