উত্তর পূর্ব সীমান্তে এবার ভয়ংকর একশনে ঝাপাল বিএসএফ। সম্প্রতি সেভেন সিস্টার্স এর সীমান্তে এক সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কথা জানা যায়। যে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে উলফা আইয়ের হেড কোয়াটার সম্পূর্ণভাবে ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছিল। এখন জানা যাচ্ছে, সেভেন সিস্টার্স এ, আরও নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে মেঘালয়ের সীমান্তে বিএসএফ দিনভর একশনে ঝাপিয়েছিল। এরপর ২৬ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে। সবমিলিয়ে সেভেন সিস্টার্স অঞ্চল থেকে নাকি ৩০ জন অনুপ্রবেশকারীকে ধরেছে বিএসএফ। এবার অজিত ডোভাল বাংলাদেশকে বুঝিয়ে দিলেন ভারতের ক্ষমতা।
এনআইএ এর তরফে বলা হচ্ছে, নর্থ ইস্টে টেরর প্লট করা হয়েছে বাংলাদেশ এবং আইএসআইযের পক্ষ থেকে। এই দুই সরকারের এজেন্সিরা যুক্ত হয়ে গিয়েছে। বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের ইউনাইটেড পিউপল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট চট্টগ্রামের একটি বিদ্রোহী গ্রুপ, তাদের ব্যাক করছে বাংলাদেশের ডিজিএফআই ইন্টেলিজেন্স ডিপার্টমেন্ট। বাংলাদেশের এই সরকারি সংস্থার কাজ হল বাংলাদেশের সীমান্তকে রক্ষা করা, সেই সীমান্ত অঞ্চলে তাদেরই বিদ্রোহী গ্রুপ ইউপিডিএফ তাদেরকে ব্যাক করছে। ইউপিডিএফ আবার ভারতের দুই বিদ্রোহী গ্রুপের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে। ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা। এবং সেখানে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে ডিজিএফআই এর সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই এর যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। এমনকি খবর, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ভারতের সেভেন সিস্টার্সকে একসঙ্গে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। এদিকে ইউপিডিএফ ভারতের দুটি গ্রুপের কাছে পৌঁছেছে, সেই গ্রুপের নাম ত্রিপুরা হামবারখা তারমি। দ্বিতীয় গ্রুপের নাম মোঘ ন্যাশনাল পার্টি। অর্থাৎ এই দুটি গ্রুপের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে বাংলাদেশের ইন্টেলিজেন্স ডিপার্টমেন্ট, যারা আইএসআইয়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে এই চট্টগ্রাম কেন্দ্রে করেছে, চট্টগ্রাম থেকে অস্ত্র আসছে উত্তর পূর্ব ভারতে এবং এরা ভারত বিরোধী চক্রান্ত করছে ভারত সরকারের বিপক্ষে আন্দোলন করছে এবং সেভেন সিস্টার্সকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। জানা গিয়েছে, এদের প্রত্যেকের কাছে একে ৪৭ রাইফেল পাওয়া গিয়েছে। ১৩ টি ম্যাগাজিন এবং ১০৫০০ রাউন্ড গুলি পাওয়া গিয়েছে। আসলে নর্থ ইস্ট এ একটি ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসবাদের জন্ম দিতে চাইছে পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ। যেটা ইউনূসের নাকি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা। তবে রুখে দিয়েছে ভারতের বিএসএফ। ২৬ জনকে আটক করা হয়েছে। অর্থাৎ সেভেন সিস্টার্স কে অশান্ত করার চেয়ে পরিকল্পনা সেটা বানচাল করে দিয়েছে ভারত। এর পরবর্তী ক্ষেত্রে যদি ফের ভারতের দিকে চোখ তুলে তাকায়, তবে আরো বড় পদক্ষেপ নিতে পিছুপা হবে না ভারত বর্ষ, সেটাও থারেভারে বুঝিয়ে দিল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে।











Discussion about this post