বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস দেশের হাল ধরার পর শুধু পরিস্থিতি জটিল করেছেন। যে কোনও পরিকল্পনা থেকে সিদ্ধান্ত, কোনওটি সফল হয়নি। বরং দেশের মানুষের প্রাণ নিয়ে খেলা করছেন তিনি। পাকিস্তানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, তাদের সঙ্গী করে ভারতের থেকে নিস্তার পেতে চাইছে ইউনূসের দেশ। কিন্তু অপরিপক্ব ইউনূস চাল দিতে গিয়ে এখন নিজের গদি নিয়ে টানাটানি। বাংলাদেশের মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন। ছাত্ররা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছে। এদিকে শেখ হাসিনা অডিও বার্তা ছেড়ে ভিডিও বার্তাতে বক্তব্য রাখবেন। মনে করা হচ্ছে, গোপালগঞ্জ দিয়ে আওয়ামী লীগ নিজেদের খেল শুরু করেছে। এবার ইউনূসকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বেশি সময় লাগবে না।
পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই বাংলাদেশের সরকার ও সেনাবাহিনীকে খবর দিয়েছে, ভারত কিছুদিনের মধ্যেই নাকি আক্রমণ চালাতে পারে বাংলাদেশে। আর তাতেই পরিকল্পিতভাবে একটি বিমান দুর্ঘটনা ঘটাল বাংলাদেশ। তারা ভালো করে জানে, ভারত মানবিক দেশ। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মাঝে বাংলাদেশকে আক্রমণ করবে না ভারত। তাই বিমান দুর্ঘটনা। এমন ভয়াবহ একটি খবর বাংলাদেশ বিশ্বাস করল কিভাবে? এই প্রশ্ন উঠে আসছে। তবে হিতে বিপরীত হয়ে গিয়েছে। যেভাবে গেট ভেঙে ছাত্ররা সচিবালয়ের ভিতর প্রবেশ করছে, যেভাবে দফায় দফায় ছাত্ররা সংঘটিত হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন, তাতে চাপে পড়েছে ইউনুস সরকার। শুধু তাই নয়, অডিও বার্তা ছেড়ে শেখ হাসিনা ভিডিও বার্তা তে বাংলাদেশের জনগণ ও আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের পরামর্শ দেবেন। আর এই খবর সামনে আসতে তুমুল ভয়ে রয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। ফলে রাজনৈতিক দলগুলিকে ডেকে বৈঠকে বসে বোঝাতে চাইলেন, ছাত্ররা সামান্য বিক্ষোভ করলেও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি তার সঙ্গে রয়েছে। এমনকি মানবিক সরকারের ভান করতে রাষ্ট্রীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল বিমান দুর্ঘটনার পরদিন। কিন্তু দেশের প্রধান হয়ে প্রাণখুলে হাসছেন বৈঠকে। সেই ছবি সামনে আসতেই সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে বলছেন, রাজনৈতিক বুদ্ধিতে এত অপরিপক্ব থাকলে কিভাবে দেশ চালাবেন তিনি?
শেখ হাসিনা সরকারের আমলে যে বাংলাদেশ ছিল, এখন ইউনূস নিজের দায়িত্বে দেশটিকে পতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। দেশে না আসছে বৈদেশিক বিনিয়োগ, না হচ্ছে কোনও উন্নয়ন। মহম্মদ ইউনূস শুধু গদি বাঁচাতে ব্যস্ত। ভারতের বিরুদ্ধে ছাত্রনেতাদের উস্কে, ভারত থেকে বাঁচার জন্য আইএসআই কে হাতিয়ার করতে চাইছেন ইউনূস। তবে কতদিন পালিয়ে বাঁচা যায়? এমন প্রশ্ন তুলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।












Discussion about this post